বুধবার, জানুয়ারী ১৪, ২০২৬

বয়সের গণ্ডি ভেঙে বাড়ছে বাতের ঝুঁকি,নিয়ন্ত্রণে জীবনযাত্রায় নজর জরুরি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • ২০২৬-০১-০৩ ০৯:৫১:৪৭
ফাইল ছবি

বাত বা আর্থ্রাইটিসকে দীর্ঘদিন ধরে বয়স্কদের রোগ হিসেবেই ধরা হতো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অল্পবয়সী এমনকি শিশুদের মধ্যেও এই সমস্যার প্রবণতা বাড়ছে। হাড় ও জোড়ার প্রদাহজনিত এই দীর্ঘস্থায়ী রোগ সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে দৈনন্দিন জীবনকে করে তোলে কষ্টকর। চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনযাত্রায় কিছু সচেতন পরিবর্তন বাত নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ওজন হাঁটুর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা ব্যথা ও জোড়ার ক্ষয় বাড়ায়। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ভারী বা উচ্চ প্রভাবযুক্ত ব্যায়াম এড়িয়ে সাঁতার, হাঁটা কিংবা সাইকেল চালানোর মতো লো-ইমপ্যাক্ট ব্যায়াম করলে জোড়ার নমনীয়তা বাড়ে এবং পেশি শক্তিশালী হয়।
বাতের ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতে গরম ও ঠান্ডা থেরাপির ব্যবহারও উপকারী। গরম প্যাক রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে, অন্যদিকে ঠান্ডা প্যাক প্রদাহ ও ব্যথা কমায়। প্রয়োজনে হাঁটু বেল্ট বা বেতের মতো সহায়ক ডিভাইস ব্যবহার করলে জোড়ার ওপর চাপ কমে এবং চলাফেরা সহজ হয়। তবে এসব ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার জয়েন্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক বলে মনে করা হয়। ডিম, দই, ফল ও পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে বাত নিয়ন্ত্রণে সহায়তা মিলতে পারে। সব মিলিয়ে সচেতন জীবনযাপনই পারে বাতের যন্ত্রণা অনেকটাই কমিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে।

কীওয়ার্ডসঃবাত রোগ,আর্থ্রাইটিস,জয়েন্ট ব্যথা


এ জাতীয় আরো খবর