পাতাদের নিঃসীম সান্নিধ্য বেলা, উদাস আকাশ
দিনজোড়া রোদ বেস, অলস দুপুরের নিরুদ্দেশ আাবছায়া, চির চেনা রোদ ঝিমুনো কলতান
আনমনা পাখিদের - কোথায় নেই তুমি -।
এই নেশাভূক স্বদেশী মূর্ছনা হাজার গানের,
এই বটতলা, গেঁয়ো মেলা, লাল সবুজে মোড়ানো সুনিবিড় তরুশীর, কাচা হলুদ বর্ণা হেমন্ত নদিতীর সবটা ছু্ঁয়ে আছ তুমি--।
এত আয়োজন এত আঁকা জোকা লেখিলেখি
তোমাকে ঘিরে যে নিজেকে বড় বেশি অপ্রতুল মনে হয়, কি লিখব - সাধ্যের সবটা দিয়ে লিখলেও কিছুই হবে না লিখা -
মহান বিজয়ের মাস - আমার বিরামহীন আত্মার জয়ধ্বণি, আমার পৃথিবী ভরা রাখা স্রোতসী হৃদস্পন্দন -, ক্ষমা কোরো অক্ষম এই আমাকে।
তোমার সব কথা লিখে রাখে কাক ভোর, শীতার্ত ভেজা ডানার পাখি, অরণ্য অপলক, আকাশ ছোঁয়া পতাকা, বারমাসী চাঁদ, চৈত্রের রৌদ্র দহন, রোদপোড়া কৃষকের মাঠপ্রেমী লাঙল ফলা,
কৃষাণীর রুক্ষ চুল ছুঁয়ে থাকা বাক্যহীন রক্তজবা
আমি শুধু অনিমেষ নিমেষ গুনি- কবে থেকে ভোর হলো - শাশ্বত সূর্যের আহ্বান কখন মহাকালকে সাক্ষী রেখে বলল পৃথিবীর মানচিত্রে আমৃত্যু মৃত্যুহীন জেগে থাকা প্রিয় আমার বাংলাদেশের কথা। কখন তারাদের রাত থমকে থামে - বাংলাদেশের নামে , রাতজাগা সব তারা অবাক চোখে বাংলাদেশকে দেখে
বাংলাদেশকে আরো বেশি জানতে চায়
সবকথা জানতে চায় -- অতিথি বসন্তের সব ফুল,, আকাশে বুক পেতে দেয়া অথই জলসলম্ভার, রাত শেষের অরণ্য শ্বাস-
বলতে না পারার
নিঃসীম যন্ত্রণা নিয়ে বড় বেশি দিশেহারা আমি।