বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রজ্ঞাবান নক্ষত্র, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য **তোফায়েল আহমেদ** আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ভাতিজা, সাবেক এমপি আলী আজম মুকুলের ব্যক্তিগত সহকারী সালাউদ্দিন।
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক। কয়েক বছর আগে স্ট্রোকের পর শরীরের একাংশ প্যারালাইজড হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এবং চলাফেরার জন্য হুইলচেয়ারের উপর নির্ভরশীল ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদ ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
জাতীয় সংসদে নয়বার নির্বাচিত হয়ে দেশের উন্নয়ন, অর্থনীতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা।
তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দলমত নির্বিশেষে অনেকেই তাঁকে স্মরণ করছেন দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ও নীতিনিষ্ঠ একজন রাজনীতিক হিসেবে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মরদেহ রোববার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হবে, এরপর ভোলায় দাফন করা হবে।
কীওয়ার্ডস:
তোফায়েল আহমেদ মৃত্যু, আওয়ামী লীগ নেতা, ভোলা এমপি, বাংলাদেশ রাজনীতি, তোফায়েল আহমেদ জীবনী