রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নিজেকে ‘ইমাম মাহাদি’ দাবি করা নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ তৌহিদি জনতা। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জুড়ান মোল্লাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিক্ষুব্ধ জনতা নুরাল পাগলার দরবার শরিফ ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় ইউএনওর গাড়ি ও পুলিশের দুটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে দরবারের অনুসারীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী ও র্যাব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, আশির দশক থেকেই নুরাল পাগলা নিজেকে ‘ইমাম মাহাদি’ দাবি করে আসছিলেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে তার কবর কাবা শরিফের আদলে তৈরি হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও শুক্রবার বিক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালায় এবং পরে মরদেহ কবর থেকে তুলে মহাসড়কের পদ্মার মোড়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কীওয়ার্ডস: গোয়ালন্দ সংঘর্ষ,নুরাল পাগলা রাজবাড়ী,কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন,তৌহিদি জনতা বিক্ষোভ,দরবার শরিফে হামলা