হৈমন্তি, তুমি কি আজো আছো জেগে?
এই ভরা শ্রাবনের রিমঝিম রাতে।
শ্রাবনের ধারায় তুমি সিক্ত নও!
রোজ রাতে কি নামে তোমার চোখে
শ্রাবণ অঝোর ধারায়!
এই মায়াময়ী রাত্রির রুপ কি -
তোমার কাছে শুধুই বিরক্তিকর?
আজো কি আছো অপেক্ষায়
সেই সাম্পান নায়ে বেয়ে চলা
পথিকের আশায়?
আজোও কি তারি চোখের তারায়
হারিয়ে যাও নিজেকে?
সেই যাওয়ারূপ কি আজো ব্যথিত,
আজোও উদ্বেলিত করে তোমার মন?
আজোও কি শ্রাবনের জল হয়ে নামে
তোমার হৃদয়ের হাহাকার।
নিশীথের নিঃশ্চুপ রূপ কি তোমার কাছে
বড়োই বেদনার?
লক্ষ্মী প্যাঁচার ডাকে তুমি কি চমকিতা?
হরিণের অভ্যন্তরস্থ কস্তূরীর ঘ্রাণেতে
চপলা হরিনীর মতোই।
ওই দুর নীলাভ নিশীথের তারায়
মুখ তোল যখন-
ছলছল অশ্রুজলে কি বুজে আসে চোখ?
তারাদের স্বর্পীল পথে আজো কি মিলে
সেই না মেলা গল্পগুলো?
সেই কি গিয়েছে এই পথে?
ওই দুরের পথ ধরে।
নাকি তুমি পথ ভুলে গেছো
সেই স্বপ্নিল পথের গন্তব্যস্থান -
আছে কি তোমার মনে?
হৈমন্তি তুমি কি চলে গিয়েছো-
তোমার অপরিপূর্ণ প্রেম ঘর শূ ন্য করে।
নাকি, আজোও আছো জেগে তোমার
প্রণয়কাব্যের চরিত্রে,আজোও
অপেক্ষমান- আছো প্রণয়ীর তরে।