সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

অ র্চ না মা লা কা র

  • মানুষের পরিবর্তন
  • ২০২৫-০৭-০৭ ০০:২০:৩০

অফিস থেকে বেরিয়ে হনহন করে হাঁটছি
কোনদিকে তাকাবার ফুরসত নেই,
পথে এত ভিড় পা ফেলার জায়গাটুকু পাওয়া যায় না
কী আর করা সবারই বাড়ি ফেরার তাড়া।
সামনে গাড়ি থেকে নামলেন এক মহিলা
একটু ধাক্কা লেগে গেল ,
বলেন, দেখে হাঁটতে পারিস না, বিশ্রী গন্ধে গা গুলিয়ে দিলি।
সারাদিনের ঘাম ভেজা পোশাক হতেই পারে, সরি বললাম
বড্ড চেনা মুখ -- দুপা এগতে মনে হলো প্রীতি না !
সামনে এসে জিজ্ঞেস করলাম
কিছু মনে করবেন না
আপনার বাড়ি কী বিজয়নগর ?
হ্যাঁ তাতে তোর কী ?
আমি সেতু, যদি চিনতে ভুল না করি -- তুই প্রীতি না ?
আমরা একই সাথে পড়তাম।
তুই সেতু ! তোর এ ভিখারির মতো দশা কেন ?
বললাম, একটা জব করি সাধারণ ভাবে থাকতেই পছন্দ
তাতো জানিস।
কত বছর পর দেখা চল্ এক কাপ চা খাই,
কী বলিস তোর সাথে আমি চা খাবো !
যা চলে যা আমার হ্যাজবেন্ড এখুনি চলে আসবে
তোর পরিচয় দিতে লজ্জায় মরে যাবো
কথা না বলে পা বাড়ালাম -- মনে মনে হাসলাম
এই সেই সেতু -- যে কি-না না খেয়ে স্কুলে আসতো
নিজের টিফিন শেয়ার করে খেয়েছি কতদিন !
আমার জামাকাপড় পরে বাইরে যাতায়াত করতো,
আজ জিন্সের প্যান্ট আর গেঞ্জিতে এতই স্মার্ট।
শাড়ি পরা নারীকে ভিখারি মনে হয়
এত পরিবর্তন মানুষের! ভাবতে অবাক লাগে।
হঠাৎ পিছন থেকে কে যেন নাম ধরে ডাক দিলো
ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি সেতুর পাশে দাঁড়িয়ে মহিমদা
বুঝলাম সেতুর স্বামী ।
বললাম --আজ যাই পরে কথা হবে,
প্রীতি চোখ বড়ো করে বললো -- ওকে চেন নাকি
মহিম হেসে বললো -- চিনবো না আমার মামাতো বোন
বিয়ের সময় আসতে পারিনি ওর শাশুড়ি অসুস্থ ছিল বলে।
আরো বড় পরিচয় ওর হ্যাজবেন্ড আমার কোম্পানির মালিক।
প্রীতি আমতা আমতা কী যেন বলতে লাগলো।

 


এ জাতীয় আরো খবর