ভাইরাস যেই ল্যাবরেটরিতে যতো সুরক্ষায় রাখা হোক না কেন
ফাঁক পেলে সেটা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে, একে একে ধ্বংষ করবে
যাবতীয় সুস্থ প্রাণ, নিজের সক্ষমতা বাড়াতে ক্রমশ আয়তন বৃদ্ধিতে
উম্মাতালের নৃত্যে বুনে যাবে ক্ষতির বিষ। ভাইরাস প্রতিরোধের
অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিটলার এ কথা জানতে পেরে প্রতিরোধের প্রচেষ্টায়
একদিন দুর্বার জেগে উঠেছিল। সে কথা কারো অজানা নয়।
প্রাচিন এ ভাইরাস বারংবার পৃথিবীতে পরিবেশ দুষণ করছে
তাদের নির্মম নিষ্ঠুরতায় বিপন্ন হয়েছে সমাজের বহু সভ্য পরিবেশ,
বহু সম্মানিত নবী ও রাসুলগণ ইহুদি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে
মায়াবি পৃথিবীর চেনা অবয়ব থেকে চলে গেছে অনন্ত যাত্রা পথে,
তাদের প্রতিরোধে সুসভ্য মানুষ বহুবার প্রচেষ্টার সচেষ্ট হয়েছে।
কেউ কেউ তবু ল্যাবরেটরিতে ভাইরাস লালন করে বিপক্ষ শক্তি প্রতিরোধে
কিন্তু তাদের জানা নেই স্বলালিত এই দুষণ একদিন হবে ক্ষতির কারণ ,
সম্প্রতি সাইপ্রাসে এর বিষাক্ত ক্রিয়া ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে ,
প্রাচ্যের ভাইরাস সেবকগণ কিছুটা উপলব্ধি করছে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে
ইতোমধ্যে ব্রিটেনের কেউ কেউ ইহুদি ভাইরাস সম্পর্কে প্রচারণা ছড়াচ্ছে,
জানান দিচ্ছে এর ভয়াবহ ক্ষতির দিক। কেননা নিশ্চুপ দর্শকেরা ফিলিস্তিনের
গাজাবাসীর দিকে চেয়ে নিজেদের পরিণতির কথা উপলব্ধি করছে,
ক্ষুদ্র বিন্দু থেকে মানব মৃত্যুর পাহাড় গড়ে কিভাবে একটি জনপদ গিলে ফেলে
এ দৃশ্য আজ স্বচোক্ষে দেখছে সবাই। যদিও ভাইরাসের রক্ষকেরা
এখনো নিজেদের প্রতিশোধ ও শক্তিমত্তা হিসাবে মানছে নিজের,
তারা আনন্দ ও উম্ফোলন করছে বিষাক্ত জীবানুর ক্রিয়া কান্ডে,
কিন্তু তাদের জানা নেই, বিষক্রিয়া কখনো কারো নয়,সে প্রতিষেধকে ভীতু শুধু
সময় পেলে ধ্বংস করে দেবে সব রক্ষক ও ল্যবরেটরির নার্সদের।