পৃথিবীর অবদমিত নিদর্শন ঘিরে,
যাদের নাম বার বার উচ্চারিত হয়...
বাবা তাদের মাঝে সর্বোৎকৃষ্ট নিদর্শন।
বাবারা কখনো নীরব কখনো নিস্পন্দ!
কখনো কংক্রিটের দেয়াল ঘেরা অবচেতন অস্তিত্ব।
যার চূড়ায় অবতরণ শুধু অসাধ্যই নয়,
ছুঁয়ে দিলে চুঁয়ে পরে ভালোবাসার নির্যাস।
যার সৌরভে সুশোভিত হয় নির্মল পৃথিবী।
সেই বাবারাই,
কখনো কখনো অদেখা আঘাতে আহত হয়।
চূর্ণ বিচূর্ণ করে কংক্রিটের দেয়াল ঘেঁষা ভালোবাস।
নিঃশব্দে মুছে ফেলে,
লুকায়িত কান্নায় ডোবা দুঃখ ভেজা আঁখি জল।
ক্লান্তিগুলো উড়িয়ে দেয়,
দখিনা বাতাসে দোলায়িত দৈন্যতার মাঝে।
বাবারা কখনো কাঁদে না।
কারণ বাবাদের কান্না সংসার সমৃদ্ধি রহিত করে।
সমাজ নিরুৎসাহিত করে বাবাদের কান্নায়।
কিন্তু;
প্রতিটি বাবাদের অন্তরেও লুকিয়ে থাকে,
অদেখা অদৃষ্টের আদর বঞ্চিত দুঃখ বিলাস।
হতাশায় নিমজ্জিত এক বিশাল সমুদ্র।
যে সমুদ্র পারি দিতে বাবার কষ্টরা হয় না শ্রান্ত।
বরং নতুন উদ্দমে উদ্দীপ্ত করে পরিবারের ভাবনা।
চরম উৎকর্ষে সুশোভিত করে সন্তানের সমৃদ্ধি।
নিজের চাওয়া পাওয়া বিলিয়ে দেয়,
সুষম সন্তানের সমৃদ্ধ প্রতীক্ষায়।
শখ আহ্লাদ গুছিয়ে রাখে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
শীতল ছায়ায় আগলে রাখে অনাগত ভবিষ্যৎ।
রোগে শোকে আদিষ্ট হয়েও বয়ে চলে সংসারের ঘানি,
এ ভাবেই যাপিত হয় বাবা নামের সমাপ্তি।