রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬

শুভ জন্মদিন শিল্পী এস আই টুটুল

  • মেসবা খান
  • ২০২৫-০৪-২৮ ২০:৩১:১৪

দেশের অডিও বাজার যখন রমরমা, তখন তাঁর অবস্থান ছিল দাপুটে৷ শ্রোতাদের কাছে তাঁর গানের আলাদা গ্রহণযোগ্যতা ছিল। আর তাঁর সুর-সঙ্গীতে বহু জনপ্রিয় গান গেয়েছেন শিল্পীরা।
বলছি একসময়ের জনপ্রিয় ও ব্যস্ত গায়ক, সুরকার-সঙ্গীত পরিচালক এস আই টুটুলের কথা। আজ ২৮ এপ্রিল তাঁর জন্মদিন। 
এস আই টুটুলের জন্ম কুষ্টিয়ায়। তাঁর আসল নাম এবিএম শহীদুল ইসলাম। ছোট বেলা থেকেই গানের চর্চা করেছেন। 
তাঁর লক্ষ্যই ছিল সঙ্গীতে ক্যারিয়ার গড়া। সেটাই তিনি করেছেন। বড় ভাইয়ের বন্ধু ছিলেন ব্যান্ড কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু। সেই সুবাদে নব্বই দশকে আইয়ুব বাচ্চুর  সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান৷ 'এলআরবি' ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন টুটুল।
২০০৫ সালে 'ফেস টু ফেস' নামে নিজেই একটি ব্যান্ড গড়ে তোলেন। ২০১১ সালে ব্যান্ডটির নাম পরিবর্তন করে রাখেন 'ধ্রুবতারা'।
সিনেমার গানে এস আই টুটুল অসামান্য সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর সৃষ্ট বহু গান শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। 
২০০৬ সালে 'নিরন্তর' সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করে চেন্নাইয়ের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হন টুটুল।
এরপর ২০০৭ সালে ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এর জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার পান। 
২০১০ সালে সেরা প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে তিনি আবারও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। 
২০১৫ সালে 'বাপজানের বায়স্কোপ' সিনেমার জন্য সেরা সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক হিসেবে তিনি আরও দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
এস আই টুটুল চারটি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। এগুলো হচ্ছে 'প্রশ্ন', 'শূণ্য', 'বুকের শহরে তুমি' ও 'জলের ভেতর জলের চলন'।
তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- 'কেউ প্রেম করে কেউ প্রেমে পড়ে', 'যায় দিন যায় একাকী', 'নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে আছো তুমি', 'হৃদয়ে লিখেছি তোমারই নাম', 'নজর না লাগে যেন', 'বহু পথ খুঁজে নদী', 'ও কারিগর' ও 'সুয়া উড়িলো রে’ ইত্যাদি।
এস আই টুটুল ১৯৯৯ সালে অভিনেত্রি মডেল ও নির্মাতা তানিয়া আহমেদকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তাঁদের দুই যুগের দাম্পত্য জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে।
আজকের এই বিশেষ দিনটিতে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা। 
 

 


এ জাতীয় আরো খবর