আমি নারী,
পুরুষের পদচুম্বনের অধিকারে এখানে এসেছি।
আমি নারী,
আমার ক্ষতর রাতে পুরুষের অশ্রু ঝরে পড়ে।
আমি নারী,
আমার সমস্ত ক্ষতি পুরুষের বন্ধু পুরুষ সারিয়ে দিয়েছে।
আমি নারী,
আমার ঘরের চাল যে কালবোশেখি রাতে আধখানা উড়ে গিয়েছিল,
বাকি আধখানা একটি পুরুষ পরুষ হাতে আটকে রেখে আমার ঘর
বাঁচিয়েছিল।
আমার সামান্য কুঁড়ে দামোদরে ভেসে যেত যদি সে সুজন মাঝি সচেতন না
করতো যথাসময়ে।
আমার কাজলে কোনো হরিণী রয়েছে,সে কথা জানিয়েছিল একদিন পুরুষই।
আমার গায়ের রঙে চাঁদ দেখে কাব্য লিখে আমাকে অবাক করেছিল একজন পুরুষ।
আমার দুঃখের রাতে একজন পুরুষ এসে বসেছিল অন্ধকার বারান্দায় মুখোমুখি,
শরীরে শরীর রেখে,আরো বেশি প্রাণে প্রাণ রেখে।
আমার বাবার দেওয়া নামে আমি বুঝি নারীর সুন্দর,সে বাবার দান।
নারী তার অধিকার চাক,ভালোবেসে,মাধুরীলতায়।
তবুও কৃষ্ণচূড়া ছাড়া রাধাচূড়া কোনোদিন সম্পূর্ণ হবে না।
বসন্তের নারীদিন পুরুষের স্পর্শ ছাড়া কোনোদিন পূর্ণতা পাবে না।
তোমায় নারী বানালো কে,নারী?
পুরুষের গঙ্গাজল,পুরুষেরই বিমুগ্ধ তরবারি।
পুরুষতন্ত্র বলে আসলে কিছুই হয় না,কারণ,
সব পুরুষকে এক তন্ত্রে ফেলাও যাবে না।
জেহাদের শব্দে কোনোদিন প্রকৃত ভ্রমর বসে না।