বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন বিভাগ, কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় কিশোরগঞ্জে বারি সরিষা-১৪ জাতের উৎপাদনশীলতা ও উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নে বারি সরিষা -১৪ এর মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ডক্টর মো. মনিরুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন
বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর মো. সেলিম উদ্দিন, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হোসনা কোহিনুর ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবী রাণী দত্ত।
বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর মোহাম্মদ মহিউদ্দীন জানান, কিশোরগঞ্জ জেলায় এ বছর ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে সদর উপজেলার রশিদাবাদে বারি সরিষা-১৪এরমধ্যে পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে সদর উপজেলার রশিদাবাদে বারি সরিষা-১৪ জাতটি আবাদ হয়েছে ৯ একর জমিতে। এই জাতটি ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে কর্তন করা যায়। প্রতি কাঠায় ফলন হয় ২-৩ মণ। সরেজমিন গবেষণা বিভাগ থেকে কৃষকদেরকে বীজ, সার ও কীটনাশক দেওয়া হয়েছে।
তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ডক্টর মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সরিষার এ পর্যন্ত ২২ টি জাত আবিষ্কার হয়েছে। এরমধ্যে বারি সরিষা-১৪ স্বল্প মেয়াদী। এটা বপন থেকে শেষ পর্যন্ত ৭৫-৮০ দিন সময় লাগে। কৃষক আমন ধান করার পরে অল্প সময়ের জন্য বারি সরিষা-১৪ চাষ করে সহজেই
বোরো ধান আবাদ করতে পারে। ফলনেও এটা ভালো। প্রতি হেক্টরে ১৪০০-১৬০০ কেজি ফলন হয়ে থাকে। এ কারণে কৃষকরা এটি সহজে গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।
মাঠ দিবসে এলাকার ৭০ জন কৃষক কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।