ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি ঃ অডিটর পদে দুই ধরণের গ্রেডের বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে খুলনা ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব একাউন্টস্ এর কর্মরতরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসুচি পালন করেছেন। গতকাল বুধবার সকালে খুলনা কার্যালয়ের সামনে ব্যানার ও বিভিন্ন প্লাকার্ড নিয়ে তারা এ অবস্থান কর্মসুচি পালন করে।
কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসুচি পালনকালে বক্তারা বলেন, অডিটরদের ১০ম গ্রেডের দাবীর বিষয়টি নতুন নয়। ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৬১জনকে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে যারা রিট মামলার পক্ষভুক্ত হয়েছিলেন শুধুমাত্র তাদেরকে ১০ গ্রেডে বেতন দেওয়া হয় বাকিরা এখনো ১১তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। পরবর্তি স্বৈরাচারী সরকারের আমলাগণ তাদের স্বাভাবগত স্বৈরাচারী আচরণের জন্য বৈধ দাবী হওয়া শর্তেও তা বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। বক্তারা আরো বলেন,অডিটর সম পর্যায়ের সাব-রেজিষ্টার, সমাজ সেবা অফিসার, পিটিআই ইন্সট্রাক্টরসহ আরও বিভিন্ন দপ্তরের পদগুলো বর্তমানে ৯ম গ্রেডভুক্ত গেজেটেড পদ হিসেবে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু অডিটর পদটি ১০তম গ্রেড ভুক্তিতে এত জটিলতা সৃষ্টি রহস্যজনক। অডিটরের নিন্মে অবস্থান পদ যেমন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ৯ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন কিন্তু অডিটর পদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মহোদয় ১০ গ্রেডের পক্ষে মতামত দিয়েছেন।
কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসুচি চলাকালে বক্তৃতা করেন অডিটর সমীর কুমার নন্দী, আসমা খাতুন, শহিদুল ইসলাম আকন, রাশেদুল ইসলাম, এফ এম মেহেদী হাসান, মুন্সী শহিদুল ইসলাম, হুমায়ুন কবরি, জিল্লুর রহমান, নাজনীন সোহেলী, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ আব্দুল মান্নাফ, মোঃ শামিম নাসিব, মোঃ সোহেল মাহমুদ, পপি সাহা, আলমগীর হোসেন, নজরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল হালিম, মোঃ আব্দুল আজিজ, মোঃ আসিফ ইকবাল, জাফরিন আক্তার. দেব প্রসাদ, নিশাদ মেরৈভী, নজরুল সরদার, মো, মোঃ ফয়জুল বারী রাতুল, মোঃ ইউসুফ।