আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বুধবার বিকেলে বিজিএমইএ, গার্মেন্টস মালিক, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও শিল্প পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে দেশের সব পোশাক কারখানা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
বিজিএমইএর সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক আন্দোলনে ১৬৭টি পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল। যদিও এ আন্দোলনে শ্রমিকদের সংশ্লিষ্টতা ছিল না। বহিরাগতদের হামলায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তাই সেনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কারখানার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়ায় গার্মেন্টস চালু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকরা।
তিনি বলেন, এখন সেনাবাহিনী, শিল্প পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কঠোর অবস্থানে থাকবেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে জানিয়েছেন। তাই কাল থেকে পোশাক কারখানা খোলা থাকবে।
বুধবার নিরাপত্তা শঙ্কা ১৬৭টি কারখানা বন্ধ ছিল। বকেয়া বেতন, চাকরি স্থায়ীসহ নানা দাবিতে সাভার ও গাজীপুরে বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার এই কারখানাগুলো ছুটি ঘোষণা করা হয়।
কারখানা মালিকরা জানিয়েছেন, এসব বিক্ষোভে জড়িতরা শ্রমিক নন, তারা চাকরিপ্রত্যাশী।
এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও শিল্প পুলিশ নিয়োজিত করা হয়।