সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭ মামলার আসামী কুখ্যাত স্বর্নচোর ভটা, ৬ মামলার আসামী স্ত্রী ও ৩ সহযোগিসহ গ্রেপ্তার

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৪-০৭-১৪ ০২:০৮:১৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুখ্যাত স্বর্ণচোর  ও অন্তত: ১৭টি চলমান মামলার আসামী আরিফুল ইসলাম ভটাকে (২৫) তার স্ত্রী,সহযোগি ও অন্তত: ৬টি চলমান মামলার আসামী শারমিন আক্তার(২৩) এবং অপর ৩ সহযোগিসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে চুরিকৃত ১টি স্বর্ণের চেইন,২টি আংটি,১টি মোটরসাইকেল,২৭ গ্রাম হেরোইন,১টি খালি ফেনসিডিলের বোতল ও মাদকসেবন উপকরণ। ভটা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের পিটিআই বস্তির মো.দুলালের ছেলে।
গত শুক্রবার (১২জুলাই) রাত ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ফুলকুঁড়ি এলাকায় ভটার ভাড়াবাড়ি থেকে স্ত্রী এবং জব্দ মাদক ও মোটরসাইকেলসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যে রাতব্যাপী  অভিযানে তাদের সহযোগি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সমসের আলীর দু’ছেলে ইব্রাহিম খলিল(৩০) ও ইউসুফ আলী(২৫) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর লালাপাড়া গ্রামের চন্ডি কর্মকালের ছেলে স্বর্ণকার দীপক কর্মকারকে(৪১) জব্দ স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার করা হয়। ভটার বিরুদ্ধে চুরি ছাড়াও সস্ত্রীক মাদকব্যবসা ও সেবনেরও অভিযোগ করেছে পুলিশ। দীপককে গ্রেপ্তারকালে জব্দ হয় চেইন  ও আংটি।
শনিবার(১৩জুলাই) দুপুর ২টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় প্রেস ব্রিফিং-এ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ভটা মূলত: ভেন্টিলেটর দিয়ে ঘরে প্রবেশে পারদর্শী। তার  মূল উদ্দেশ্য থাকে স্বর্ণ, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি করা। এ কাজে তার স্ত্রী তাকে সাহায্য করে। সে সস্ত্রীক মাদকাসক্ত হওয়ায় নেশার টাকা যোগাতেই এ কাজ করে। তাদের সহযোগি ইব্রাহিম ও ইউসুফ দম্পতিকে স্বর্ণসহ চোরাই মালামাল বিক্রিতে সাহায্য করে। স্বর্নকার দীপক ভটাকে চেনে না। সে ওই দ’ুভাইয়ের নিকট থেকে চোরাই স্বর্ণ ক্রয় করে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, গত ৭ জুলাই জেলা শহরের পাঠানপাড়া মহল্লায় ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে একটি দোতলা বাড়িতে  ঢুকে নববধুকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম কওে জব্দ চেইন ও আংটি,নগদ টাকা এবং মোবাইল ফোন লুটের মামলার আসামী গ্রেপ্তার অভিযানে  প্রথমে সস্ত্রীক ভটা গ্রেপ্তার হয়। এ সময় মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সস্ত্রীক তার বিরুদ্ধে শনিবার সদর থানায় নতুন আরেকটি মামলা হয়েছে । সস্ত্রীক ভটা,তার সহযোগি ও তাদের বিভিন্ন থানায় সংগঠিত অপকর্মের ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত ও জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শনিবার বিকালে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
ব্রিফিংকালে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেহিদী হাসান,থানার পরিদর্শক(তদন্ত) নুরুল কাদির সৈকত, সদর থানা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ রেজেয়ান চৌধুরী সহ সংশ্লিস্টরা উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর