রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬

নতুন বাংলাদেশ মানে একাত্তরের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা নয়-চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি নেত্রী পাপিয়া

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-১১-০৭ ২১:৪৬:০৯

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিএনপির সাবেক এমপি সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া  জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন্ মানে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা নয়। ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’-কে  পরিবর্তন করা নয়। সংবাদপত্রের স্বাদীনতাকে হরণ করা নয়।  জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে যখন তখন উচ্ছেদের হুংকার দেয়া নয়,কথায় কথায় লন্ডন  দেখানো নয়।
শনিবার(৭ নভেম্বর) বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের হরিমোহন সরকারি  উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে  সদর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের  আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন পাপিয়া। জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, পাকিস্তান তোমদের উপযুক্ত জায়গা। রেডি হও জামায়াতে ইসলাম। তোমাদের পাকিস্তান পাঠানো হবে। তিনি বলেন, একাত্তরের বিরোধিতাকারী হবে নায়ক আর ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ যাবে লন্ডন, ইন্ডিয়া’ ? এটা কখনও হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামে ইসলামের কোন নমূণা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আর ভুল করবেন না। রাষ্ট্রে যখন যে সরকার থাকবে, তারা উন্নয়ন করবে। বিএনপিকে স্বৈরাচার বলবেন আর উন্নয়নের ডিও লেটার দেখাবেন তা হবে না। ডিও লেটার দিয়ে সব হয় না।
পাপিয়া  আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান অনেক বাক স্বাধীনতা দিয়েছেন। সেই স্বাধীনতার নামে এখন অন্যর স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বিএনপিকে কটাক্ষ করা এখন জামায়াতের বদভ্যাস হয়ে গেছে। তবে মনে রাখবেন একদিনে বিএনপির জন্ম হয় নি।
ইউনুস সরকারের কঠোর সমলোচনা করেন পাপিয়া। বিদ্যূৎ  সেক্টরে ইউনুস আমলের কর্মকান্ডে যে ক্ষতি হয়েছে তাঁর বর্ণণা দেন। জামায়াত এমপি আমীর হামজা সহ অন্য নেতাদের চারিত্রিক  সমস্যার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তাঁদের নারীর সম্মান ক্ষুন্নকারী বলেও  চিহ্নিত করেন পাপিয়া।
সদর উপজেলা  পরিষদের  সাবেক ভাইস চেয়ারম্যাণ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ।  তিনিও বক্তব্যে জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করেন। বলেন,জান্নাতের টিকিটের নামে জামায়াতকে আর ভোট দিবেন না। টাকার বিনিময়েও ভোট দিবনে না।  ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সেই দিন চরম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি ৭ নভেম্বরের পর দেশকে সুশৃঙ্খল  করেন।  বিএনপি গঠন করেন। উন্নয়ন শুরু করেন।  ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন সহ দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সদর উপজেলা পরিষদদের সাবেক চেয়ারম্যান  তসিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহবায়ক তবিউল ইসলাম তারিফ প্রমুখ।  


এ জাতীয় আরো খবর