জাতীয় পে-স্কেলভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতোই ৬ লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)। প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত ১৬ অক্টোবর, রাত সাড়ে আটটায় বাকবিশিস কেন্দ্রীয় কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এসব দাবি জানানো হয়।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভার শুরুতে বাকবিশিস নেতা অধ্যাপক মিজানুর রহমানের মা, অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম বাবুলের মা এবং সম্প্রতি সারা দেশে মৃত্যুবরণকারী শিক্ষকসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কারণে প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্মরণে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
সভায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে অচলাবস্থা নিরসন এবং রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে উপাচার্যকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধের স্পষ্ট নির্দেশনার আহ্বান জানানো হয়। সভায়, ২০২৭ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে সংগঠনের ১১তম জাতীয় সম্মেলন এবং তার পূর্বেই জেলা সম্মেলনসমূহ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আলোচনায় আরও অংশ নেন সংগঠনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম বাবুল, অধ্যক্ষ ভাস্কর রন্জন দাশ, অধ্যাপক মিজানুর রহমান মজুমদার ও অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম লাবলু; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আকমল হোসেন; সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আবদুল ওয়াহেদ মিয়া, অধ্যক্ষ জাকির হোসেন হাওলাদার, অধ্যক্ষ নুরুল আবছার, অধ্যাপক নেয়ামুল হাসান পামেল, অধ্যক্ষ সুফিয়া নাহার, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ বশীর উদ্দিন কনক, অধ্যাপক কাশ্মীর রেজা, অধ্যাপক আবদুল গফুর ও অধ্যাপক মো. উকিল উদ্দিন প্রমুখ।