তিন দিন বন্ধ থাকার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে টার্মিনালটি পুনরায় চালু হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, চালুর পর টার্মিনালটি থেকে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে দুটি এলএনজি টার্মিনাল মিলিয়ে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। মধ্যরাতের মধ্যে সরবরাহ আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ রোববার ২৩ আগস্ট টার্মিনালে পৌঁছানোর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সেটি এসে পৌঁছায়। ফলে নতুন কার্গো হাতে পাওয়ার পর শনিবার থেকেই টার্মিনালটি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি জানান, শনিবার দুপুরে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল। নতুন কার্গো আসার পর তা বেড়ে বর্তমানে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। এর মধ্যে সামিট পরিচালিত টার্মিনাল থেকে প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সব উৎস মিলিয়ে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে।
আব্দুল মান্নান বলেন, গ্যাস সরবরাহ নির্ভরযোগ্য রাখতে আরও এলএনজি কার্গো আনার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটি অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুনরায় এলএনজি সরবরাহ শুরু করলেও ১৯ আগস্ট মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালটির কার্যক্রম আবার বন্ধ হয়ে যায়। নতুন কার্গো পৌঁছানোর পর শনিবার থেকে ফের জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
এলএনজি, গ্যাস সরবরাহ, মহেশখালী