বধির- বিপন্ন কলমটা গঙ্গা জলে শুদ্ধ করে আনি
লক্ষ্মীছাড়া অবাধ্য- বেচাল বশ মানে না আজকাল
আঁশ গন্ধমাখা পাঁচিল টপকে দুর্গন্ধ খুঁড়ে বেড়ায়...
সেকি ! কলমের গায়ে লোম গজিয়েছে !
একদম ঠিক ধরেছো ! হুম হুম শুয়োরের মতো...
না... না... ওকে বাচ্চা বলে ভুল করো না !
বোমা বাঁধার মতো শব্দদুষণ আগুনে ছুঁড়তে শিখেছে
দু'আঙুলের ডগায় নুন তোলার মতো এক চিমটি ছোবল-ই ওর যথেষ্ট !
তোমরা জিভের লাগাম দাও... দেখো, খসে যেন না পড়ে!
ভাঁজ করা মনের ব্যাধি ডি-ভি-সি'র বাঁধে সম্মিলিত গর্জন তোলে,
পণ্য কলম আজ বিপন্ন সভ্যতায়...
অভুক্ত পেটে এক মুঠো ভাতের ক্ষুধায়...
আরে বাবা, মাঝে মাঝে গদি মোড়া চেয়ারে বসলেও কাঁটা বেঁধে পশ্চাৎদেশে...!
যতই মনকে চোখ ঠেরে অন্যমনস্ক হয়ে পোশাক বদল করো !
এসব ইয়ার্কি আর কতোদিন?
শুধু বেঁচে থাকতেই কুঁকড়ে মরছি !
অথচ কথা ছিল, সব মানুষের জন্য এক পৃথিবী !
হিম নিঃসঙ্গ অরণ্যে আস্তানা পেতেছো...
জানো না... শেখো নি...?
প্রত্যেক মৌমাছির আছে নিজস্ব খুপরি, আছে ইচ্ছে মতো উড়ে যাওয়ার স্বাধীনতা,
ফুলের মধু নেওয়ার স্বাধীনতাও আছে।
তারা জেনেছে, সঙ্ঘ সভ্যতার জন্য তাদের শ্রম!
অথচ, আমরা...!!!
ছেঁড়া রোদ উদ্বাস্তুর মতো অসহায় ন্যাকাবোকা চিরুনি তল্লাসি চালাই,
শকুন আর শেয়ালের মুখে চিরকাল এঁটোই লেগে থাকে...
এসব নিয়েই কলমে হাত পড়েছে...
একটা জ্যান্ত কবিতা লেখার অপেক্ষায়।
অনেক তো হলো !
পৌরাণিক পদ্য, মেদবতী নাভি ছুঁয়ে পঙ্গু মনের ভাবনার বিলাসিতা ...
জলে - ডোবা অগণিত প্রাণ বাতাসের জন্য হাঁকুপাঁকু অস্থিরতায়...
অস্পষ্ট কুয়াশা জড়ানো স্বপ্নের চৌকাঠ মাড়িয়ে অপেক্ষায়... সময় !
ভারত থেকে