শনিবার, মে ১৬, ২০২৬

গী ত শ্রী সি ন হা

  • এ-ও তো বড় রঙ্গ !
  • ২০২৬-০৫-১৬ ১১:১০:৪৯

অনেক ফুল চড়িয়েছি অন্ধ বিশ্বাসে
ভয়কে জয় করতে না পারার খেসারত দিয়েছি গুনে গুনে। 
আমরা যখন একশো আট বেলপাতা দিয়েছি 
রক্তের লাল দাগে, 
মায়া দেখাওনি কখনো, 
আমাদের মানত করা সাষ্টাঙ্গ শরীরগুলো মাড়াতে মাড়াতে 
তোমরা নির্বিকার হেঁটে গেছো
আকাশে চোখ তুলে ! 
আর আমাদের বৌ-মেয়েরা
হারিয়ে গ্যাছে তোমাদের বাগানবাড়ির সান্ধ্যনগরীতে, 
ভোররাতে মাটির গভীরে 
তাসের সংসার - বাসনা
কীট পতঙ্গের খাদ্য হয়েছে। 

তারপর !  তারপর ! 
আমাদের ভিটেয় ঘু ঘু চরিয়ে, 
আমাদের জোত - জমি লোপাট করে
তোমরা দিব্যি নবজাগরণের আলো মেখে 
সভ্যতার বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছো !
ঠিক এভাবেই চাপা পড়ে গ্যাছে 
বাঘে-গরুতে একঘাটে জলখাওয়ার গল্পটা ! 
কেতাবী -গবেষকরা আমাদের হাড় খুঁজে পায়নি। 
তাই শান্তি নিকেতনে কোনো অশান্তিও হয়নি। 
কিন্তু সময় তো কারো বাপের চাকর নয় !  
ধর্মের কল তো বাতাসেই নড়ে ! 
তা-ই তোমাদের শান্তি ঘুচেছে, 
ঘুঘুর বাসায় এখন তুমুল কোলাহল ! 
পালঙ্ক জোড়া বিছানায় তো অনেকদিন আরাম হলো, 
এবার নেমে এসো, দ্যাখো, 
তারাভরা আকাশের নীচে বর্ষায় - শীতে 
রাত কাটিয়ে প্রকৃতি - প্রেমিক হওয়া যায় কিনা ! 

খেয়েছো অনেক চর্বচোষ্য,এবার পাত ছাড়ো,
কয়েক শতাব্দীর ক্ষিদে আমাদের পেটে। 
আরে বাবা !  হাতে - কলমে যাচাই করেই দেখোনা... 
না খেয়ে মানুষ মরছে কিনা ? 
দুর্ভিক্ষ নিয়ে সিনেমা করলেই হবে ?
দুর্ভিক্ষের স্বাদ নিতে হবে তো ! 
এতো বড় রঙ্গ জাদু,এতো বড় রঙ্গ ! 
প্রকৃত সংস্কৃতি - টংস্কৃতি শিকেয় তুলে দিয়ে
জেলখানার পাঁচিল উঁচু করছো ! আবার... 
সংশোধনাগারের ঘর বাড়াচ্ছো পয়সা চিবিয়ে... 
কি হবে এতো ঘর ? 
এ-ও তো বড় রঙ্গ জাদু, এ-ও তো বড় রঙ্গ !!!

 ( ভারত ) 


এ জাতীয় আরো খবর