শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬

চলচ্চিত্রে ধূমপান দৃশ্য বন্ধে কড়াকড়ি দাবি,ওটিটির জন্য আলাদা গাইডলাইনের আহ্বান

  • বিনোদন ডেক্স
  • ২০২৬-০২-২৬ ২২:০৮:২৭
ছবি: সংগৃহীত।

চলচ্চিত্র, নাটক ও ওটিটি কনটেন্টে জনপ্রিয় শিল্পীদের মাধ্যমে আইনবিরোধী ধূমপানের দৃশ্য প্রচার তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে-এমন উদ্বেগ জানিয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠেছে। বক্তারা বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে সেন্সরশিপের আওতায় এনে আলাদা গাইডলাইন প্রণয়ন জরুরি। এমনকি ধূমপানসহ নেতিবাচক দৃশ্যসংবলিত চলচ্চিত্রকে জাতীয় পুরস্কারের অযোগ্য ঘোষণা করার প্রস্তাবও উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তথ্য ভবনে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড আয়োজিত ‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য নিয়ন্ত্রণে আইনের বাস্তবায়ন : সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব মতামত তুলে ধরা হয়।
মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি-র সভাপতি মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ, নির্মাতা রফিকুল আনোয়ার রাসেল, বোর্ড সদস্য ও অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, পরিচালক তাসমিয়া আফরিন মৌসহ সংশ্লিষ্টরা।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার আমিনুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য কিশোর-তরুণদের আচরণে প্রভাব ফেলে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত তাণ্ডব চলচ্চিত্রে ১০২ বার ধূমপানের দৃশ্য রয়েছে। এছাড়া আলী সিনেমায় ৫৫ বার এবং বরবাদ-এ ১২১ বার ধূমপানের দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
বক্তারা বলেন, বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই। তাই সেন্সর সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ, নির্মাতা ও প্রযোজকদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

কী-ওয়ার্ডস:চলচ্চিত্রে ধূমপান,ওটিটি গাইডলাইন,তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন


এ জাতীয় আরো খবর