লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে বাংলাদেশিসহ অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট এই তথ্য নিশ্চিত করে। প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক, যাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন অভিবাসী ছিলেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন সুদানী ও দুইজন মিশরীয় নাগরিক ছিলেন। আট শিশুও ছিল একই নৌকায়, তবে তাদের অবস্থা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে আল–খুমস উপকূলের কাছে ঘটে এই নৌকাডুবির ঘটনা। উদ্ধার অভিযানে কোস্টগার্ড ও আল–খুমস বন্দর নিরাপত্তা বাহিনী অংশ নেয়। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো স্থানীয় প্রসিকিউশনের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার আইওএম জানায়, লিবিয়ার আল-বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি নৌকা ডুবে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন এবং নৌকায় থাকা সবার মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লিবিয়ার উপকূলে বারবার নৌকাডুবি ও প্রাণহানি ঘটছে, যা অবৈধভাবে ইউরোপগামী অভিবাসন প্রবাহের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।
২০১১ সালে গাদ্দাফি পতনের পর লিবিয়া হয়ে ওঠে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুট। বর্তমানে দেশটিতে আট লাখেরও বেশি অভিবাসী অবস্থান করছে বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য।
কীওয়ার্ডঃলিবিয়া নৌকাডুবি,বাংলাদেশি অভিবাসী,রেড ক্রিসেন্ট