সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

মশিয়ালীতে ট্রিপল মার্ডার মামলার বাদীকে আসামিদের হুমকি খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

  • শেখ বদর উদ্দিন
  • ২০২৩-০৮-২৬ ২০:৩৮:০১

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি ঃ খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালীতে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী মিলটন, জাকারিয়া , জাফরিন সহ খুনি সন্ত্রাসীরা আদালত থেকে জামিনে এসে পুনরায় এলাকার সাধারন মানুষদের ভয়ভীতি প্রদর্শন , নিরীহ গ্রামবাসির নামে মিথ্যা মামলা দায়ের , মামলার বাদীকে  হত্যার হুমকি  এবং আসামিদের পুনরায় গ্রেফতার ও দ্রত বিচার আইনে মামলা নিস্পত্তি করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে আজ সকাল ১১ টায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসির পক্ষ থেকে  খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। লিখিত বক্তব্যে মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম বলেন , খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামে ২০২০ সালের ১৬ জুলাই ঘটে যায় এক নারকীয় হত্যাকান্ড । গ্রামের সহজ সরল মুজিবর নামে এক ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র দিয়ে  পুলিশের কাছে তুলে দেয় মশিয়ালী গ্রামের মৃত হোসেন আলী শেখের পুত্র জাফরিন , জাকারিয়া ও মিল্টন ও তাদের বাহীনি  । এ খবর পেয়ে গ্রামবাসি কেন নিরিহ মুজিবরকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হলো জানতে জাফরিন এর বাড়ির কাছে পৌছানো মাত্র কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাফরিন , জাকারিয়া ও মিল্টন নেতৃত্বে ২০/ ২৫ জনের সশ¯ত্র দুর্বত্বরা রাত সাড়ে ৮ টায় নিরিহ এলাকাবাসির উপর গুলিবর্ষন ও বোমা নিক্ষেপ করে । এ সময় ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় আলিম জুট মিলের শ্রমিক নজরুল ইসলাম(৬০) ও রাজমিস্ত্রির   হেলাপার গোলাম রসুল(৩০)। এবং হাসপাতালে মারা যায় মশিয়ালী  গ্রামের কলেজ ছাত্র সাইফুল । এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয় আফসার শেখ(৬৫), শামিম(২৭), রবি শেখ (৪০), খলিল (৩০) রানা (২২), সুজন শেখ (২৫) সহ ৯ থেকে ১০ জন । নিহত কলেজ ছাত্র সাইফুল ইসলামের পিতা সাইদুল শেখ বাদি হয়ে শেখ জাফরিন হাসান , জাকারিয়া ও মিল্টন সহ ২২ জনের নাম উল্লেখ সহ ১৫ /১৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং ১২ তাং ১৮-০৭-২০২০ ইং ।  পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিকতায় ঘটনার পর ঘাতক জাফরিনকে যশোরের বাঘাড়পাড়া থেকে আটক করে পুলিশ । এর কিছুদিন পর রাজধানি ঢাকার মিরপুর থেকে অপর দুই ঘাতক জাকারিয়া ও মিল্টনকে আটক করে আইনশৃংখলা বাহিনী । ঠান্ডা মাথার এসকল খুনিরা আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়াতে স্বস্থির নিশ^াস ফেলে এলাকাবাসি । নিহতের স্বজন ও এলাকার সর্বস্থরের মানুষের দাবি ছিলো খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদানের ।খুনিরা এখন নতুন মিশনে নেমেছে এখন তারা তথাকথিত সমযোতার নামে এলাকার মানুষ ও পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্যান্তিকর তথ্য প্রদান করছে, কিসের সমযোতা, কার সাথে সমযোতা, খুনির সাথে? কখনোও না । খুনিদের সাথে কোন আপোষ হতে পারেনা , ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখ - এমন অপরাধ আপসের উদ্যোগও অপরাধ হিসাবে বিবেচিত।  বিজ্ঞ আদালত এর প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে , তাই আমরা কোন সমযোতা চাইনা আইনের মাধ্যমেই এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
মামলার বাদী বলেন আমি  আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এরকম খুনি বাহিরে থাকিলে পুনরায় আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে. যে কারনে অতিদ্রত আলোচিত এ মামলাটি  দ্রতবিচার আইনে নিস্পত্তি করে খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি । এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহত গোলাম রসুলের স্ত্রী নাসিমা বেগম, সে দিনের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আফসার শেখ(৬৮) তার পুত্র রবি (৪২) মোঃ মজিবর রহমান সহ মশিয়ালী গ্রামের সর্বস্থরের মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।  

 


এ জাতীয় আরো খবর