আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হলে তিনি আর সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি কিংবা কোনো সরকারি পদে থাকতে বা নতুনভাবে নিয়োগ পেতে পারবেন না-এমন কঠোর বিধান যুক্ত করেছে সরকার।
সোমবার (৬ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়,‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩’সংশোধন করে নতুন ২০(সি) ধারা সংযোজন করা হয়েছে।
সংশোধিত ধারায় উল্লেখ করা হয়-
যে কোনো ব্যক্তি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত হলে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি (চেয়ারম্যান, মেয়র, কমিশনার, প্রশাসক), কিংবা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত বা নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এছাড়া তিনি কোনো সরকারি পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।
তবে, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল থেকে খালাস পান বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি লাভ করেন, তাহলে তার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলে গেজেটে স্পষ্ট করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্তদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদে যোগ্যতা সীমিত করার বিধান কার্যকর হলো।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংশোধন আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্তদের সরকারি ও নির্বাচিত পদে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ বন্ধ করবে এবং বিচার প্রক্রিয়া আরও নিরপেক্ষ রাখবে।
কীওয়ার্ডস:
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, নতুন আইন সংশোধন, সরকারি পদে নিষেধাজ্ঞা, সংসদ সদস্য অযোগ্যতা, আইন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন