সে ছিলো সম্রাট-
জয়ের মুকুটে জ্বলছিলো সূর্যের আগুন,
কিন্তু হৃদয়ের দরজায় সে শুধু এক প্রেমিক,
যার রাজ্যে ছিল না জোসেফিনের একটুখানি সাড়া।
তার পকেটে যুদ্ধের মানচিত্র নয়,
থাকতো এক নারীর ছবি-
শত্রুপূর্ব ফ্রন্টের গর্জন ছাপিয়ে
সে খুঁজতো চোখের ওম,
চিঠির লালসা নিয়ে ফিরতো তপ্ত বন্দুকধারী।
কিন্তু ভালোবাসা,
সে তো সেনাপতি মানে না,
সে তো সিংহাসনের ভাষা বোঝে না।
সে তো এক বেপরোয়া সমুদ্র,
যার ঢেউ আসে যেমন খুশি,
ভাসায় না যাকে, ডুবিয়ে দেয় তাকে।
সে লিখতো দীর্ঘ দীর্ঘ রাত,
শব্দের ছাইয়ে আগুন ছুঁয়ে দিতো কাগজ,
আর উত্তর?
একদম নিঃস্পন্দ, এক বাক্যেরও কৃপণতা,
যেন ভালোবাসা তার কাছে এক কৌতুক,
আর প্রেমিকটা শুধুই ক্লান্ত এক কবি।
সত্যি, ভালোবাসা কোনো যুক্তির খেলা নয়,
এ এক অভিশপ্ত স্বাধীনতা,
যেখানে কার হৃদয় কাকে ডাকবে,
সেই সিদ্ধান্ত যেন ঈশ্বরও দিতে পারে না।
এখানে হেরে যাওয়াই নিয়ম,
তবুও কে যেন বলে-
"আরেকটু অপেক্ষা কর, হয়তো সে ফিরবে।"
ভালোবাসা তাই পুড়িয়ে খায়,
আর আশ্চর্য!
জেনেও মানুষ আগুনে হাত বাড়ায়,
বলে, "এই পোড়াটা আমার দরকার ছিলো।"