তোমার বাড়ির রঙের মেলায় আমার নাইবা হলো ঠাই
তার পরও আমার আঙিনায় চল্লিশায় তোমারে যে চাই।
তুমি চাঁদভেজা জ্যোৎস্নার মায়াভরা পূর্ণ চান্দের আলো
আমি নাহয় ভাদ্র মাসের আাধার রাতের নিঃসীম কালো
তুমি যতটা ভালো ততটা জ্বালো সুখের প্রদীপ শিখা ঢালো।
হাত বাড়ালে আকাশ হাতের মুঠোয় বাতাস মেঘমুক্ত দুপুর
ধুলোমাখা মেঠোপথের বাকের হারিয়েছে সোনালি রোদ্দুর!
সুজলা সুফলা শ্যামলীমা মহাসংকটে চড়ে কালের খেয়ায়,
নপুংসুক,ঠোঁট ছিড়ে খায়,জ্বলেছে আগুন সুজনের চিতায়।
সুশীল সুধীর কি বা আসে যায়,রাতে বিরাতে খাঁটি মধু খায়!
খামখাম পার্টির কথক নিত্যে জাতি অসহায় করে হায়হায়!
নেংটী ঈদুর ছায় মা গো জননীর নিটোল স্তন গিলতে যায়,
কূলটা রমণীর সাথে সহবাস করছে সহাস্যে দিন কি রাতে,
শরাবের পিয়ালা হাতে সাকি উঠবে হয়তো এবার জাতে!
মহান নায়ক বীরেরা কার পা চাটে লজ্জা কি নেই তাতে?
বস্ত্রহীন ধরা আয়না তোরা এই বাংলার মুসাফির খানায়
যেখানে পানির মত সের দরে সতিত্ব আর বিবেক বিকায়,
বেজন্মাদের দখলকৃত ঢেড়ায় মাধুর্য হারানো জলসায়।