মিরপুর কালশি কুর্মিটোলা উর্দুভাষী বিহারী মুসলমান ক্যাম্পে ১৪ জুন ২০২৫ শনিবার সকাল ১১টায় শহীদদের স্মরণে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত। উল্লেখ্য, বিগত ১৪ জুন ২০১৪ ইং তারিখে উক্ত ঠিকানায় পুলিশ এবং তৎকালীন পুলিশের এ সি কামাল, এস আই জাহিদ, ঢাকা ১৬ আসনের এম পি ইলিয়াস মোল্লা উরুফে (ইলিয়াস কসাই), বাউনিয়াবাদ ৫ নং ওয়ার্ডের যুবলীগ সন্ত্রাসী জুয়েল রানা, ভাষানটেক কাউন্সিলর জহিরুল ওরফে (ডাকাত জহিরুল) সহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ প্রায় ৫ হাজার সন্ত্রাসী বাহিনী পবিত্র শবে বরাতের রাতে, নিরীহ, অসহায় সংখ্যালঘু উর্দুভাষী বিহারী মুসলমানদের উপর এক বর্বর ওমানবিক নির্যাতন চালায়। অগ্নিসংযোগ, উর্দুভাষী বিহারী মুসলমানদের মসজিদ ভাঙচুর, দোকান ও বাড়িঘর লুটপাট, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট, দেশীয় অস্ত্র, জল কামান, লাঠিচার্জ সহ ওপেন ফায়ার বা গুলি চালিয়ে প্রায় শতাধিক উর্দুভাষী বিহারী মুসলমানদের আহত করে। আজাদ নামক এক উর্দুভাষী বিহারী মুসলমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলে শাহাদাত গ্রহণ করেন। তার সাথে এই পরিকল্পিত হামলাকারীরা একই পরিবারের ১১ জন সদস্যের মধ্যে শিশু বাচ্চা ও মহিলা সহ ৯ জনকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলে। পরিবারের ১০ম সদস্য ফারজানা গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসাধীন থাকে। এবং পরিবারের ১১ তম সদস্য শহীদ মোহাম্মদ ইয়াসিন ভাই নিজের মেয়েকে দেখতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ইয়াসিন ভাইকে হত্যা করা হয়।
বর্তমানে ফারজানা জীবন ঝুঁকি ও অসুস্থ অবস্থায় মানবতার জীবন যাপন পার করছে। পরবর্তীতে পুলিশ নিজে বাদী হয়ে ৩টি মামলা ও তাদের সোর্স দ্বারা আরো ২টি মামলা, মোট ৫টি মামলায় ৩,৫০০ (সাড়ে তিন হাজার) উর্দুভাষী বিহারী মুসলমানদের আসামি করে। যার মধ্যে ১৩/ ১৪/ ১৫ /১৬/ও ১৭ বছরের শিশুসহ ৬০/ ৬৫/ ৭০ বছরের মুরুব্বী অর্থাৎ আমাদের বাবাদেরকে আসামি করে কারাগারে অমানবিক নির্যাতন চালায়। আজ ১১ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও উর্দুভাষী বিহারী মুসলমানদের পক্ষ থেকে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন মামলা করা হয়নি।