মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

সু দী প্ত

  • নদী
  • ২০২৫-০৬-০১ ০২:৪৪:১০

নদী..
কেমন আছো? 
আবার, কতদিন পরে দেখা হলো ।
ভালো আছো তো ? 
যেদিন প্রথম তোমাকে দেখলাম
তোমার ঢেউয়ের লম্বা চুল
আর সেই জলের মত স্বচ্ছ চোখ....
আহা, অপূর্ব!!
সেই প্রথম, দেখা আর কথা বলা।
মনে হয়েছিল, 
আমি তো স্থানু, আর তুমি স্রোতস্বিনী
এই দ্বীমেরুত্ব কিভাবে সম্ভব?
কিন্তু, 
তুমি যে অনন্যা, অপরূপা আর দয়াময়ী, 
তোমার স্রোতে তাই অবগাহন করতে দিলে।
এভাবেই হলো শুরু, 
তোমার আমার বাক্যালাপ।
কত যে কথা, কথা আর কথা 
তার কোনো শেষ নেই।
যখন বলতাম,
স্রোতস্বিনী তোমার ঢেউ আমি বড়ো ভালবাসি, 
তখন তুমি তোমার কলকল শব্দে হাসতে,
আর, স্রোতের বেগে বুঝিয়ে দিতে, 
তোমার মনের কথা।
তোমার সাথে যত একাত্ম হলাম
আমার অবগাহনের নেশাও তত বাড়তে থাকলো।
এই নেশার ব্যাপ্তি
তোমার গভীরতার মত বাড়তে থাকলো।
আরও গভীরে, আরো গভীরে অবগাহন
আমাকে তোমার আরও কাছে আনলো।
কিন্তু, তুমি যে স্রোতস্বিনী
আমার আরও গভীরে অবগাহন -
একদিন, আমার স্থানুতার শিকড় উপড়ে ফেলল।
যেটা আমি সবথেকে বেশি পছন্দ করতাম, 
তোমার সেই লম্বা চুলের ঢেউ
সেখানে আমি অবরুদ্ধ হলাম,
আর ডুবতে ডুবতে - 
কোন এক অসীম কলসাগরে চলে গেলাম।
আমি যখন আর আমাতে নেই,
তখন বুঝলাম, 
সেই কালসাগরও আমার মতো স্থানু, 
কিন্তু ব্যাপ্তিতে আমার থেকে অনেক বেশি বড়।
আর স্রোতস্বিনী হলেও, 
তুমিও যে একসময় নীরব হয়ে  যাও।
নদী,...
আমার কাছে তুমি বহমান ছিলে 
তবে, সেই কালসাগরে তুমি স্রোতহীন।
সেজন্যই, 
তোমার আর কালসাগরের মিলন, 
এই বিশ্ব-সূর্য-চন্দ্র সবার মত সত্য।
নদী,
তোমার কথা খুব মনে পড়ছিল, 
তাই তো তোমাকে দেখতে এলাম।
তোমার সেই লম্বা চুলের ঢেউ একই আছে, 
কিন্তু, স্রোতটা..........
 


এ জাতীয় আরো খবর