চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর কেন্দ্রের ব্যস্ততম নিমতলা মোড় এলাকায় পূর্ব শত্রæতার জের ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দু’গ্রæপ যুবকের উত্তেজনার পর গত মঙ্গলবার (২২এপ্রিল) রাতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনসহ দন্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে (২৩ এপ্রিল, বুধবার) নিমতলা মোড়ের ঢাকা বিরানী হাউস নামের রেষ্টুরেন্টের মালিক সুমন হোসেন পাটোয়ারী ২৪ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা করেন। মামলার পর রাতভর পুলিশ অভিযানে দু’জন এজাহারনামীয়সহ বিবাদমান দু’গ্রপের চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে । বুধবার বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী,স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নিমতলা মোড় এলাকায় অন্তত: ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে মিলু গ্রæপ। এতে অন্তত: ৩ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে অবিস্ফোরিত ২টি ককটেল। এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ওই এলাকায় প্রতিপক্ষ বেলাল গ্রæপের সাথে একটি মিমাংসা ভেস্তে যাবার পর দেশী অস্ত্র সজ্জিত মিলু গ্রæপের ৫০/৬০ জন যুবক এ ঘটনা ঘটিয়ে আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করে চলে যায়। এ সময় মানুষ দৌড়াদুড়ি করে পালিয়ে যায়।
ককটেল বিস্ফোরণে আহত হয় নিমতলা এলাকার ফুটপাতের শরবত বিক্রেতা শাহ জামাল(৪২), ঢাকা বিরানী হাউসে খাবার ক্রয় করতে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও বগুড়া সদরের চকসূত্রাপুর এলাকার গোপাল হরিজনের ছেলে রনি হরিজন(৩২) এবং শহরের হুজরাপুর মহল্লার কার্তিক চৌধুরীর ছেলে বিদ্যূৎ চৌধুরী(২৫)। এদের জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিস্ফোরণে বিরানী হাউসের পাশের সূচনা স্টুডিও নামের একটি দোকানের দুটি কম্পিউটার চুরমার হয়ে যায়।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই থানার একাধিক টহল পুলিশ দল, গোয়েন্দা পুলিশ ও উর্ধতণ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে কোন রাজনৈতিক সংশ্লিস্টতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে ওসি আরও বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।