নিষাদ গোত্রের শিক্ষকেরা এসে পড়ায় এ কলা অনুষদে
ভাঁজ খোলে ছন্দদেবী চোষট্টি কলায়, অতলান্তিক সে হৃদে
বালিকারা কোনদিন পারেনি খুলতে জট বটের ঝুরির
শেকড়ের গায়ে গায়ে লেগে থাকে মৃদুজল মাতামুহুরির
শিবের মন্দির থেকে মন্ত্র জানা সর্প এসে আলাপ জমায়
আঙ্গুল পড়ায়, পড়তে শেখায় প্রত্নকলা মেসোপটেমিয়া
প্রথম সবক দেয়া তাম্র ও খরোষ্টীলিপি, সারারাত পিপাসার্ত
সন্ধ্যার রেঁস্তোরা, ঘন হট্টগোলে ডুবে থাকা বোঁভোয়া ও সার্ত্র
কৃষ্ণরাজ সেচকাজে শেখায় দক্ষতা, যেন প্রেমের পুরুত
ব্ল্যাকবোর্ড থেকে উড়ে আসে চক আর মন খারাপের গুঁড়ো
শরীরে সঙ্গীত বাজে, ধক ধক বয় রক্ত টিচার্স ক্যাফেতে
টাটকা বারবিকিউ, বহুপদে ছাত্রীগণ সাজিয়েছে ব্যুফে
বালিকারা মনোযোগী, ঢেলে দেয় মেধা, মন, সময় ও স্বত্ব
কলাবিদ উড়ে যায়, দেহজুড়ে নিরিবিলি কাঁদে ভাষাতত্ত্ব
শিক্ষকমন্ডলী ভালো, ছাত্রীরা নিখাদ বোকা গলে শোনে স্তব
ক্লাসরুম ঢেকে দেয় বৃতি আর বৃন্তচ্যুত ফুলের স্তবক!