কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, বিএনপি নেতা আবদুল মতিন তোতার মৃত্যু স্বাভাবিক ভাবে হয়নি, নৃশংস হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। আমি যতটুকু জেনেছি এবং আসার পথে শুনেছি- ইউনিয়ন রাজনীতিতে যারা তার প্রতিপক্ষ ছিল, তারা সুযোগ নিয়ে তাকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডের অবশ্যই বিচার হবে। আমি অনুরোধ করবো এ হত্যাকে কেন্দ্র করে যেন এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়। এলাকার মানুষকে ধৈর্য্য ধারন করতে হবে। সবাই ধৈর্য্য ধরে যদি এ হত্যাকান্ডের বিচার চান, আমার বিশ্বাস এ হত্যাকান্ডের হত্যাকারীরা দায় থেকে কেউ রক্ষা পাবে না। আর যদি হত্যাকে কেন্দ্র করে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হয়, তাহলে এখানের সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে।
রোববার সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মতিন তোতার জানাজা পূর্বই বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান আরও বলেন, এ বন্যায় নোয়াখালীর অনেক এলাকা এখনও ডুবে আছে পানির নিচে। এলাকায় আমি যতটুকু ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাই না কেন, তার চেয়ে বেশি ত্রাণ নেতাকর্মীরা জোগাড় করে রাখে গরিব মানুষদের মাঝে বিতরণের জন্য। অনেকগুলো আশ্রয়ন কেন্দ্রে স্থানীয় নেতারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় আশ্রিত মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। এতে প্রমাণ হয়, বিএনপি জনগণের দল, জনগণের সাথে আছি। বিএনপি নিয়ে আজ কত চিন্তা, আলোচনা-আমি মনে করি, আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দলটাকে জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক দল হিসেবে তৈরি করেছেন। তাই যেখানে যায়-জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিকদার, সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবদুল মতিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ফজলুল করিম ফয়সল, সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান রাজন প্রমূখ।