মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

বরগুনায় প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের সভাপতির প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

  • এম আর অভি,
  • ২০২৪-০১-২৮ ২৩:১১:০৬

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনা সদর উপজেলার লেমুয়া খাজুরা পার্বতী কলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়  বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলীর অনিয়ম-দুর্নীতি এবং ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতির  বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে (২৮ জানুয়ারি ) রবিবার বেলা ১২টায় বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন সোহেল

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লেমুয়া খাজুরা পার্বতী কলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন সোহেল পঞ্চায়েত বলেন, সভাপতি বিরুদ্ধে  শিক্ষককে মারধর, বিদ্যালয়ের গাছ কাটা, টাকা লুটের প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী যে অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। তিনি এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ ঘটনায় সভাপতিসহ ম্যানেজিং কমিটির কারো কোন সম্পৃক্ততা নেই।  প্রধান শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে মিথ্যা সাক্ষী দিতে বাধ্য করিয়েছেন। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে গত আগস্ট মাসে যে গাছ কাটার মামলা হয়েছে নভেম্বর মাসে তা বিজ্ঞ আদালতে  মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটির সকলকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান ,প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী এই বিদ্যালয়ে ২০১৪ সালের জুন মাসে যোগদান করার পর থেকেই বিভিন্ন মামলা-মকদ্দমায় জড়িয়ে যান এবং বিদ্যালয়ের অর্থ অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেন। আমি সভাপতি হিসেবে  দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে তার অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তিনি আমার উপর অসন্তুষ্ট ও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মান সম্মান ও সামাজিক অবস্থানকে নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। গত আগস্ট মাসের ম্যানেজিং কমিটির সভায় বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক বিধিমত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং বিদ্যালয়ের টাকা ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য ২০ আগস্ট ২০২৩ তারিখে বরগুনা  চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার নং সিআর ১০৫৩/২৩ (বর)। বর্তমানে এই মামলাটি পিবিআইতে তদন্তনাধীন রয়েছে। তাছাড়া প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী এনটিআরসিএ কর্তৃক দ্বিতীয় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ সহকারী শিক্ষক (বাংলা) মোঃ ইসমাইল হোসেনকে বিদ্যালয় যোগদান করতে না দিলে তৎকালীন এডিসির নির্দেশক্রমে নিয়োগ দিতে বাধ্য হন এবং প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউসুফ আলী শিক্ষক ইসমাইল হোসেনের নিকট থেকে আর্থিক সুবিধা ভোগ করেন। তিনি ২০১৫ সাল থেকেই দুর্নীতির সাথে জড়িত। সে লেমুয়া খাজুরা পিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের সাথে সবসময় দুর্ব্যবহার করেন বিধায় বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-ছাত্রী অন্যত্র গিয়ে লেখাপড়া করছেন সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন লেমুয়া খাজুরা পার্বতী কলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন সোহেল।


এ জাতীয় আরো খবর