মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

শ্রমিকদের ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসুচি নিয়ে মাঠে নামতে চায় খুলনার বেসরকারী জুট মিল শ্রমিক ফেডারেশন

  • শেখ বদর উদ্দিন
  • ২০২৩-১১-১২ ১৭:৫৬:২৬
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি : খুলনার শিল্পা ল এখন মৃত শিল্পা লে পরিনত হয়েছে। বেসরকারি ব্যক্তিমালিকানা অধিকাংশ জুট মিল গুলো শ্রম আইন লঙ্গন করে বছরের পর বছর বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মিলগুলোর মালিকগণ প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৮ শ” কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছে। এ সকল মিলের শ্রমিক - কর্মচারীদের প্রায় ১শ ৪০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে যা পরিশোধ না করে বছরের পর বছর মিলগুলো বন্ধ করে রেখেছে। এর মধ্যে কয়েকটি মিল আংশিক চালু রেখে শ্রমকি-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করে ফায়দা লুটছে এমন অভিযোগ শ্রমিক-কর্মাচরী ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের। তাদের দাবী মিলগুলোর মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ না করায় অনাহারে-অর্ধাহারে প্রায় ৩ শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং শতশত শ্রমিক অর্থ অভাবে বিনাচিকিৎসায় ধুকেধুকে মৃত্যু পথযাত্রী। শ্রমিকদের বকেয়া পাওনার দাবীতে ফেডারেশন ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসুচি নিয়ে মাঠে রয়েছে।বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সৃুত্রে জানাগেছে, খুলনা অ লের সোনালী জুট মিলস, এ্যাযাক্স জুট মিলস, মহসেন জুট মিলস, শিরোমণি ট্রান্সওশেন ফাইবার্স প্রোসেসার্স লিমিটেড, জুট স্পিনার্স, আফিল, এফ আর, নওয়াপাড়া, সাগর, সুপার, আয়ান, স্পেলাইজিষ্ট, মন্ডল, গ্লোরি, সিডলু, আহাদসহ ছোট-বড় মোট ২২টি জুট মিল রয়েছে। এর মধ্যে এ্যাযাক্স, মহসেন, সম্পুর্ণ বন্ধ রয়েছে। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে সোনালী, শিরোমনি জুট স্পিনার্স, এফ আর, স্পেশালিজিস্ট আয়ান, সুপার, গ্লোরী, মন্ডল, সিডলু নওয়াপাড়া , সাগর জুট মিল, ও আহাদ জুট মিল। এ সকল জুট মিলের মধ্যে শুধুমাত্র ৭টি ব্যক্তিমালিনা জুট মিলের মালিকদের কাছে বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৭শত ৮০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ রয়েছে। এ সকল মিলের শ্রমকি-কর্মচারীদের মালিক কর্তপক্ষের কাছে বকেয়া পাওনা রয়েছে প্রায় ১শত ৪০কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে শতশত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করে ঋণের টাকা অন্যখাতে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি মিলগুলো পুর্ণাঙ্গ ভাবে চালানোর কোন পরিকল্পনা লক্ষ করা যাচ্ছেনা। এ সকল জুট মিলের মধ্যে সোনালী, এ্যাযাক্স এবং মহাসেন, আফিল, জুটস্পিনার্সসহ কয়েকটি জুট মিলের প্রায় ৩ শতাধিক শ্রমিক অনাহারে বিনাচিকিৎসায় মৃত্যু বরণ করেছে। অনেকে টাকার অভাবে বিনাচিকিৎসায় ধুকেধুকে মৃত্যু পথযাত্রী। এছাড়া মিলগুলোর প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক পরিবার অত্যান্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া মজুরী পরিশোধ. মিল চালুসহ বিভিন্ন দাবীতে ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসুচি নিয়ে মাঠে রয়েছে ফেডারেশন নেতৃবৃন্দ। এদিকে আজ খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন খুলনার বেসরকারী জুট মিল শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ে সক্রিয় বেসরকারী পাট, সুতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন । গতকাল বেলা ২ টায় ফুলবাড়ীগেটে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন মুজুরু কমিশন কার্যকর, শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ, বন্ধমিল চালু, শ্রমিক ঠকানো মালিকদেরকে আইনের আওতায় আনা, ফেডারেশন ঘোষিত ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দীন, ইজ্ঞিল কাজী মোঃ লিয়াকত মুন্সি, সেকেন্দার আলী, সাইফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল

এ জাতীয় আরো খবর