বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

দেশে সারের কোন সংকট নেই-চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-১১-০৫ ১৯:২৯:৫৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
কৃষি,মৎস ও প্রনিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন,দেশে সারের কোন সংকট নেই। আগেও ছিল না। ভবিষ্যতেও হবে না। তবে বিভিন্ন রকম কৃষি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সারের চাহিদা বেড়েছে।  সারের ডিলার নিয়োগে সরকারের নীতিমালা রয়েছে। সেই নীতিমালা অনুসরণ করে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন শর্তাবলী মেনে এবং প্রশাসনিক সহ কয়েকটি ধাপ অনুসরন করে ডিলাররা নিয়োগ পেয়েছেন। এটা একক কারও কাজ নয়।  এরপরও কোন নিয়োগে কোন ভুল বা অনিয়ম হয়ে থাকলে তা  সংশোধনের সূযোগ রয়েছে। কৃষকরা যাতে সহজেই সার পায় সেজন্য ডিলালের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালেচাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় গ্রীষ্মকালীন টমোটা ক্ষেত,একই ইউনিয়নের বাবুড্ইাং এলাকায় বারোমাসি কাটিমন ও বারি-৪ জাতের আমবাগান  এবং একই বাগনে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে (গ্যাপ) বস্তায় আদাচাষ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
পরে ওই বাগানে স্থানীয় উৎপাদকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, সরকার কৃষিকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষিপণ্য আমদানী থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। আমরা কৃষিপণ্যর্ প্তানী করতে চাই। সরকার ক্ষমতায় আসার পর সবচাইতে বেশী কৃষিভিত্তিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তিনি বলেন, কৃষি নিয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর তাঁদের সূযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ শুরু করেছেন। জেল প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে সভায়  আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হারুনুর রশীদ, মাশরুম উৎপাদনকারী আমরুন নাহার ও টমাটো উৎপাদনকারী দিাদারুল আলম।
এ অঞ্চলের আম রপ্তানীর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে  মন্ত্রী বলেন,  এখানে মৌসুমে প্রচুর আম নষ্ট হয়। এটি বন্ধ করতে হবে। এজন্য আম উৎপাদন এলাকাগুলোতে অন্তত:৩ মাস সংরক্ষণযোগ্য বড় হিমাগার স্থাপন করা হবে। সরকার আম রপ্তানী নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাথে আমর্ প্তানী নিয়ে কথা চলছে। আম কে রপ্তানীযোগ্য করতে  যে সব ধাপ অনুসরণ করতে হয় তা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। এসবের সাহায্যে সামনে মৌসুমেই বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম রপ্তানী করা সম্ভব হবে।
এ অঞ্চলকে বিভিন্নমুখী ফল ও ফসলের  অন্যতম উৎপাদনকারী বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি  এ এলাকায়  এবারের রোপা আমন উৎপাদন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, কৃষককে ধানের নায্য মূল্য পেতে হবে। এ জন্য দ্রুত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলা হবে। মন্ত্রী বলেন, জমি পতিত রাখা যাবে না। আমবাগানের গাছের মাঝের ফাঁকা কিছুটা  ছায়াযুক্ত স্থানে বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতির প্রশংসা করেন তিনি।
পরে হোসেনডাঙ্গা এলাকায় বিনা ধান-২২ জাতের রোপা আমন ধান কেটে চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান কাটা  উদ্ধোধন করেন মন্ত্রী আমিন উর রশিদ।


এ জাতীয় আরো খবর