নিজের সইটা এখন ভীতির কারণ !
হৃৎপিণ্ডে হাওয়া টেনে নাটকীয় ভঙ্গি গোপনে।
কতো কথা সাঁতরে গ্যাছে অন্ধকারে হোঁচট খেয়ে।
ঘুমহীন চোখে কবিতার আরাধনায় হাত পেতে দাঁড়াই
...যেন পূর্বজন্মের কর্মফল !
অমনোযোগী কোমরের নগ্ন বারান্দা ঢেকুর তোলে
পিছলে যায় জিভ প্রতিশ্রুতির আশ্লেষে...
অবশেষে, কার্নিশে পড়ে থাকে অকেজো দীর্ঘশ্বাস-
বেগুনী সময়...ঘোলাটে পূর্ণিমা...
হাড় থেকে রক্ত নিংড়ে মনুষ্যত্বকে নেড়ি কুত্তার পায়ে সঁপে দিয়ে আসি,
আত্মহত্যা করার আগে নিজেকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছি,
সময়কে কাঁটা চামচ দিয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে...
তারপর... ! তারপর... !
মরচে রঙের চোখের জল চেটে খেতে খেতে নিষিদ্ধ গল্প লিখি ,
কোল জুড়ে অট্টহাসির হেঁয়ালি-তামাশায় জুতসই আঁধার গিলেছি...
আলোর স্বাদ ভুলেছি, অনুভূতির অভিযোগে...
ক্যালসিয়াম খাওয়া শিরদাঁড়া মচকে গিয়ে ডিপ্রেশনের বিস্ফোরণ !
ঘর গৃহস্থালি স্মৃতিহীন, কথা গিলে খাই বজ্রপাতের ভয়ে !
ঠিক তখন, ঘুমন্ত আয়নায় বেয়ে আসে রক্তের লালা...
ভেবেছিলাম নিচু করবো না মাথা,
তামাটে সম্পর্কের অছিলায় মুখ ঘষা সময়,
সার্চলাইট টুঁটি চেপে ধরে লাস্য, অহংকার, তাচ্ছিল্যের শেষরাতে !
আয়না হাসির ঢেউ তুলে বলে,
"এবার চামড়ার প্রসাধন সভ্যতার প্রসাধনী হয়ে উঠুক ! "
ছাই হয়ে যাওয়া পরিচয় পত্র বেওয়ারিশ লাশের নিচে মুচকি হাসে।
ঘাটের মড়া! জীবনের বিজ্ঞাপনে চন্ডালের শিরা-উপশিরায় চন্দনগুড়োর বেজন্মা গিরগিটি...
ঠিক যেন...অ্যালজোলাম খাওয়া বে-আক্কেল পায়ে বাস্তুভিটার বটবৃক্ষ ! নিয়তি চোখ মারে...শীর্ণহাতে দেয় হাতছানি...
এতো দেখি মৃত্যুর চেয়েও সাচ্চা...!
সব ঘটনাই লুকিয়ে থাকে হারিয়ে যাওয়ার ভয় !
হয়তো সেটা আমার ছিল অন্য কারো নয় !