গী ত শ্রী সি ন হা

  • বিশ্বাসের দীর্ঘ আর্তনাদ
  • ২০২৬-০৬-১৫ ১৭:২৩:৩০
image

নিজের সইটা এখন ভীতির কারণ ! 
হৃৎপিণ্ডে হাওয়া টেনে নাটকীয় ভঙ্গি গোপনে।
কতো কথা সাঁতরে গ্যাছে অন্ধকারে হোঁচট খেয়ে।  
ঘুমহীন চোখে কবিতার আরাধনায় হাত পেতে দাঁড়াই
...যেন পূর্বজন্মের কর্মফল ! 
অমনোযোগী কোমরের নগ্ন বারান্দা ঢেকুর তোলে 
পিছলে যায় জিভ প্রতিশ্রুতির আশ্লেষে... 
অবশেষে, কার্নিশে পড়ে থাকে অকেজো দীর্ঘশ্বাস- 
বেগুনী সময়...ঘোলাটে পূর্ণিমা...
হাড় থেকে রক্ত নিংড়ে মনুষ্যত্বকে নেড়ি কুত্তার পায়ে সঁপে দিয়ে আসি, 
আত্মহত্যা করার আগে নিজেকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছি, 
সময়কে কাঁটা চামচ দিয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে... 
তারপর... !  তারপর... ! 
মরচে রঙের চোখের জল চেটে খেতে খেতে নিষিদ্ধ গল্প লিখি , 
কোল জুড়ে অট্টহাসির হেঁয়ালি-তামাশায় জুতসই আঁধার গিলেছি... 
আলোর স্বাদ ভুলেছি, অনুভূতির অভিযোগে... 
ক্যালসিয়াম খাওয়া শিরদাঁড়া মচকে গিয়ে ডিপ্রেশনের বিস্ফোরণ !  
ঘর গৃহস্থালি স্মৃতিহীন, কথা গিলে খাই বজ্রপাতের ভয়ে !  
ঠিক তখন, ঘুমন্ত আয়নায় বেয়ে আসে রক্তের লালা...
ভেবেছিলাম নিচু করবো না মাথা, 
তামাটে সম্পর্কের অছিলায়  মুখ ঘষা সময়, 
সার্চলাইট টুঁটি চেপে ধরে লাস্য, অহংকার, তাচ্ছিল্যের শেষরাতে ! 
আয়না হাসির ঢেউ তুলে বলে,
 "এবার চামড়ার প্রসাধন সভ্যতার প্রসাধনী হয়ে উঠুক ! "
ছাই হয়ে যাওয়া পরিচয় পত্র বেওয়ারিশ লাশের নিচে মুচকি হাসে। 
ঘাটের মড়া! জীবনের বিজ্ঞাপনে চন্ডালের শিরা-উপশিরায় চন্দনগুড়োর বেজন্মা গিরগিটি... 
ঠিক যেন...অ্যালজোলাম খাওয়া বে-আক্কেল পায়ে বাস্তুভিটার বটবৃক্ষ ! নিয়তি চোখ মারে...শীর্ণহাতে দেয় হাতছানি...
এতো দেখি মৃত্যুর চেয়েও  সাচ্চা...! 
সব ঘটনাই লুকিয়ে থাকে হারিয়ে যাওয়ার ভয় ! 
হয়তো সেটা আমার ছিল অন্য কারো নয় !