চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন সংলগ্ন পদ্মা নদীর চর থেকে শওকত আলী(৩৫) নামে এক বাংলাদেশীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবার। তিনি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। গত ৯ মে থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। শওকত গরু চোারচালানে যক্ত ছিলেন বলেও জানা গেছে।
গত শনিবার(১৬মে) বিকেলের দিকে মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবার রাতে বাড়িতে নিয়ে যায়। পুলিশ সেটি গভীর রাতে বাড়ি থেকে উদ্ধার করে রোববার ভোরে (১৭মে) ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তাঁর দেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়, বিজিবি ও পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার জহহুরপুরটেক সীমান্তে দিয়ে ভারতে গরু আনতে গিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ হন শওকত। তাঁর সঙ্গীরা ফিরলেও তিনি ফেরেন নি।
মনাকষা ৮ নং ইউপি সদস্য সমীর উদ্দিন বলেন, ভারতে গরু আনতে গিয়েই মারা গেছেন শওকত। তবে কিভাবে কি ঘটল তা জানা যায় নি।
শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, মরদেহ পদ্মায় ভেসে আসার পর চরে আটকায়।পরে খবর পেয়ে সেখান থেকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ি এনেছিল। শওকত গরু চোরচালানে যুক্ত ছিল বলেই পুলিশ জানতে পেরেছে। নৌ পুলিশকে মরদেহ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক(এসআই) শ্রী জীবন বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩বিজিবি) অধিনায়ক লে.কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সদরের ফরিদপুর বিওপির বিপরীতে ভারতের ১/২ কিলোামিটার ভেতরে পদ্মার চর থেকে পরিবার মরদেহ উদ্ধার করে বলে জানা গেছে। ওই ব্যাক্তি গরু চোরাচালানে জড়িত ছিল বলেও বিজিবি জানতে পেরেছে। তবে তিনি নিখোঁজের পর বিজিবির নিকট পরিবার অভিযোগ করেনি।