খুনিরাতের গভীরে যে-কথারা নিভৃত কান্নার;
তা, ক্ষুধার্ত মানুষের
ভাঙা থালার জোনাকি।
শুধু জানি- ফেনগন্ধি মোটা-ভাত-ফুল
আমার চৈতন্যদেব পুষ্টিকর খাদ্য হয়ে...
পাতের কিনারে সারি বেঁধে দোহারা বাজায়;
কোন্ মগ্নচৈতন্যের বিলাস-বহুল-গাড়ি
স্টেডিয়াম এসে থামে?
কেউ কি জানে! জানে না!
তবু, ভক্তিযোগ ছেড়ে কানু সিধু শুয়োরগুলোকে
চা-বাগান-অন্ধকার থেকে খেদাতে খেদাতে___
পথের ঠিকানা অব্দি পৌঁছে দেয় চৈতন্যের তির।
পথের ঠিকানা- চিনে নেয় গৌরাঙ্গ 'দা।
আজ, ভেদ-অভেদ সংসারে...
ট্রাক বোঝাই পাথর।