গাজায় আবারও ভয়াবহ রক্তপাত। ত্রাণ নিতে যাওয়া ছয়জনসহ মাত্র একদিনে (২৭ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় **৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন**। নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক—৪৮ জনই গাজা শহরের বাসিন্দা। আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও দখলদার বাহিনী স্থল ও বিমান আক্রমণ আরও জোরদার করছে।
কাতারভিত্তিক আলজাজিরা জানায়, মধ্য গাজার **সারায়া এলাকায় বেসামরিক মানুষের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ** চালিয়েছে ইসরায়েল। স্থানীয় সূত্র বলছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, তবু আগ্রাসন থামছে না।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধ চলবে।” তিনি গাজায় আরও তীব্র অভিযান চালানোরও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে চলছে সমান্তরাল আলোচনা। নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন **আট মুসলিম দেশের নেতারা**। বৈঠকে ট্রাম্প ২১ দফার একটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। আলোচনার পর কয়েকজন মুসলিম নেতা জানিয়েছেন, তাদের বৈঠক “ইতিবাচক” ছিল। তবে প্রস্তাব কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করছে ইসরায়েলের অবস্থানের ওপর।
আগামী সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল এখনও যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছে, কিন্তু পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
কীওয়ার্ডসঃগাজা হামলা,ইসরায়েলি আগ্রাসন,ফিলিস্তিন নিহত,যুদ্ধবিরতি সংকট,ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠক