কিভাবে থির থাকি বলো
যদি বাতাস এসে বসে দাওয়ার ওপরে!
যদি কাকচক্ষু দিঘী চেয়ে থাকে অপলক
তাহলে কিভাবে বন্ধ করি চোখ!
সেই যে হরিণী
তুমি যাকে মায়ামৃগ বলো
ছুটেছুটে ক্লান্ত হয়ে পড়ি
তার ছায়ার মায়ায়।
এবারে নাহয় আর তুলবো না শালুকের ফুল
একশো আট কমল নয়ন
তুলে দেবো
তখন হয়তো ঠিক থিতু হয়ে
বসে যাবো বন্ধ চোখে মন্দিরের ঠাঁয়ে --
সে শারদ সন্ধ্যায় চোখ বুজে স্থির হয় কাকচক্ষু জল
শান্ত হয় মীণেদের খুনসুটি লীলা
চুপ করে বসে থাকে সুবোধ বাতাস এসে
হরিণীর স্বর্ণাভ চর্ম গালিচায়।
তখন বুঝি সন্ধ্যা নেমেছে চিরহরিৎ বনে।