খুলনায় ফেরি ও ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর নিখোঁজ আকাশের সন্ধানে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও কোনও খোঁজ মেলেনি। রাতের অন্ধকারে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন কোস্টগার্ডও। তারা জেলখানা নদী থেকে শুরু করে শৈলপুর ঘাট পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও আকাশের সন্ধান পায়নি। রাতের উদ্ধার অভিযান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সকালে আবার অভিযান শুরু হলেও এখনও তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিস অফিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো: জাকির হোসেন জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ১২ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়, কিন্তু কোন সফলতা আসেনি। সকাল ৭ টা থেকে আবার অভিযান শুরু হয়, তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত আকাশের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ অভিযানে ৭ জন ডুবরি অংশ নিয়েছে।
এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রলার মাঝিরা নিয়ম অনুসরণ করে না এবং অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝিরা ২৫ জন যাত্রী নিয়ে চলার কথা থাকলেও প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলার চালায়, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ট্রলার চালনার সময় এটিকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
নিখোঁজ আকাশের প্রতিবেশী রুপালী খাতুন জানিয়েছেন, আকাশ হাবিব অপটিক্যালের কর্মী ছিলেন এবং স্ত্রী সন্তান সম্ভাব্য। পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম সদস্য হারিয়ে তারা শোকে বিহ্বল।
এ ঘটনার প্রতিকার হিসেবে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে স্থানীয়রা, যাতে তারা মাঝিদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
কীওয়ার্ডস: খুলনা সড়ক দুর্ঘটনা।নিখোঁজ আকাশ,ফেরি ট্রলার সংঘর্ষ,উদ্ধার অভিযান,স্থানীয় অভিযোগ