ভেতর থেকে দরজা খুলে দেবার মতো কেউ নেই ঘরে
চাবি দিয়ে তালা খুলেই ঢুকতে হবে আমাকে
তবু ঘরে ঢুকে খাবারের প্যাকেটটি ডাইনিং টেবিলে রেখে অফিসের ব্যাগ কাঁধে নিয়েই
এঘর ওঘর সবঘর হেঁটে মন-মরা একবুক কষ্ট নিয়ে ঢুকি নিজের ঘরে।
এপ্রোন খুলে চশমা খুলে ওয়াস রুমে ঢুকে সাওয়ার নিয়ে টেবিলে বসে
ট্রেনিং-এ দেওয়া খাবারের প্যাকেট খুলে দু'চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
ঘরটা কত ফাঁকা,কেউ নেই!
সবসময় ট্রেনিং এ দেওয়া খাবার না খেয়ে
বাসায় নিয়ে আসতাম তনয় তিথি'র জন্যে।
দু'চোখের জল বাধ মানেনা দীর্ঘদিনের অভ্যাস কিনা
তাই আজও তুলে রাখলাম যেন আদ্রিতা কোচিং থেকে এসে খেয়ে নেয়।
ধীরে নেমে এলো সন্ধ্যা, ফিরে এলো আদ্রিতা আমি রেডি হলাম ডিউটি তে যেতে।
কী অদ্ভুত জীবন,
তনয় ওর বউ বাচ্চা নিয়ে ভালো থাকুক ওর সংসারে
তিথিমণি ভালো থাকুক শশুরালয়ে এটি আমি চাই এবং এটি আমাকে খুবই আনন্দ দেয়।
তবু অফিস শেষে ঘরে ফিরে ওদেরই খুঁজে ফিরি ঘরে ঘরে!
কাউকে না পেয়ে বুক ভাসাই চোখের জলে।