বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১১, ২০২৬

আ গ ম নী

  • প্রেমিক
  • ২০২৫-০৪-১২ ২১:০৮:৪৪

প্রিয়তমা .... 
মনে পড়ে সেদিনের কথা ?
যেদিন আমাদের দুজনের দেখা হয়েছিল ?
আমি তখন তারুণ্যের বৃন্ত ধরে ছুটে বেড়াচ্ছি,
আর তুমি প্রথম আড়ভাঙা হাসির মতো উজ্জ্বল। 
আমার আতুর চোখের সামনে তুমি যেন সেই
চরম আশ্বাসের বানী।
তোমাকে  জিতে নেওয়ার স্বাদ ভুলতে পারি না আজও।
 
ক্রমে তুমি আমার আরও একটু আপন হলে।
আমার সমস্ত দিনযাপনের কথা রাতে তোমাকেই জানাতাম।
তোমার কথাও শুনতাম মন দিয়ে খুব
প্রতিটা মুহুর্তে তোমাকে বুঝে নিতে চাইতাম।
এভাবে কেটেছিল কয়েকটা বছর।
তারপর এলো সেই দিনটা........
সেদিন তুমি আর আমি জীবন জুড়ে নিলাম একটি সুতোয়। 
তোমাকে পেলাম নিবিড় সুখে...আমার অন্তরে।
আমার বুকের উপর তোমার যাপন চলতো প্রতিদিন।
তোমার হিমশীতল ঠোঁট দিয়ে আমার কপাল ছুঁয়ে দিলে
আমি মাঝে মাঝে ভীষণ চমকে উঠতাম।
তারপর বুঝতে পেরে দুজনের সে কি খুনসুটি !
তুমি কিন্তু দেখতে বড্ড নিরীহ হলেও খুব দুষ্টুমি করতে।
আবার আমার বিপদ বুঝলে সিংহীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে।
এমন করে পাশে দাঁড়াতে কাউকে দেখিনি আমি।
রুখা-শুখা মাটিতে যখন নির্জলা আমি ভীষণ ক্লান্ত 
শত্রুর প্রতি কড়া নজর দিয়ে তুমি আমাকে ঠিক আড়াল করতে।
কতদিন কত কত বিপদের মুখ থেকে
তুমি আমাকে বাঁচিয়ে নিয়েছো তোমার মহিমায়। 

না না, আজ আমাকে বলতে দাও....
চিরদিন থেকেছি চুপ করে।
তোমার ঠান্ডা শরীরের ভেতরের আগুন আমার পরশমণি। 
আমি সেই পরশমণির ছোঁয়ায় শুদ্ধ। 
আজ এই ঘুমের মাঝে বড্ড তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে। 
আমার এই নিশ্চিন্ত ঘুমের মাঝে একটিবার হাত বাড়াও...
এই কফিনের সমস্ত পেরেক তুলে ফেলার ক্ষমতা আমার নেই।
আমি আমার মায়ের কোলে ঘুমোতে ঘুমোতেও
তোমার মুখে এঁকে দেবে সহস্র রামধনু-চুম্বন। 

ঘাতকের মাথায় তোমার কামড় পড়েছিল জানি
দু ফোঁটা জল ও কি ছিলো তার সাথে ?
নাকি ওটা শিশিরের তুমুল পদধ্বনি !!! 
প্রিয়তমা ....তোমার ট্রিগার ছুঁলে আমার পরকালও রঙিন। 
 


এ জাতীয় আরো খবর