হাবু মিয়া তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে বেড়াতে গেছে কক্সবাজার । স্ত্রীকে বলে গেছে অফিসের জরুরী কাছে তাকে যেতে হচ্ছে। দামি হোটেলে সিট বুক করে বেশ ইনজয় করছে। গালফ্রেন্ড আইসক্রিম খেতে চাইলো হাবু মিয়া বললো ওকে জান আমি তোমার জন্য আইসক্রিম নিয়ে আসতেছি এখনই । হঠাৎ হাবুমিয়ার ফোন বেঝে উঠলো রিসিভ করতেই ওপাসে স্ত্রী কাদোকাদো গলায় বললো তোমার অফিসের কাজ শেষ হয়নি? হাবুমিয়া বললো না সোনামণি শেষ হয়নি! স্ত্রী বললো আজতো শুক্রবার আজকেতো হোটেলেই আছো । আজ বাসায় চলে এসো কালকে আবার যেও, হাবুমিয়া রাজি হচ্ছিলো না। স্ত্রী জানালো তার প্রচন্ড বুকে ব্যাথা ।হাবুমিয়া স্ত্রীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছে। বললো আমি লোকদিয়ে বাসায় তোমার জন্য ঔষধ পাঠাচ্ছি। স্ত্রী একটু মিথ্যা অভিনয় করলো চিৎকার দিয়ে উঠলো যেনো হটাৎ তার বুকে খুব ব্যাথা উঠছে। হাবুমিয়া হোটেলে না ফিরে সেখান থেকেই প্রাইভেট কার ভাড়া করে বাসায় স্ত্রীর কাছে রওনা দিলো। এদিকে গার্লফ্রেন্ড আইসক্রিমের জন্য অপেক্ষা করছে, ফোনে রোমান্টিক ম্যাসেজ পাঠাচ্ছে। হাবুমিয়া এসব পাত্তাই দিচ্ছেনা ভুলেই গেছে হোটেলে তার গার্লফ্রেন্ড তার জন্য অপেক্ষা করছে কিংবা সে একটা বাজে পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।গার্লফ্রেন্ড হতাশ হয়ে ফোন দিচ্ছে, হাবু মিয়া বার বার ফোন কেটে দিচ্ছে। হাবু মিয়া একটা ম্যাসেজ পাঠালো গার্লফ্রেন্ডকে, লিখলো স্যরি আমাকে আমার বাসায় ফিরতে হচ্ছে, আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ- তুমি প্লিজ কষ্ট পেওনা। তুমি ওখানে থাকো আর না হলে তোমার বাসায় ফিরে যাও। বেচারি ইনজয় করতে এসে এখন মহা বিপদে। তার কাছে খুব বেশি টাকাও নেই যে, হোটেলের পাওনা মিটাবে। স্বামীকে ফোন দিয়ে বললো তাকে দ্রুত কিছু টাকা পাঠাতে। স্বামী জানতে চাইলো যে তুমিতো তোমার বান্ধবীর বাড়িতে গেলে তার অসুস্থতার খবর পেয়ে। এখন এভাবে কথা বলছো কেনো? আর এতো টাকা দিয়ে কি করবা? অসহায় গলায় কেঁদে কেঁদে বললো আমি একটা বিপদে পড়েছি। তুমি কোনো প্রশ্ন না করে আমাকে টাকাটা পাঠাবে? স্বামী বেচারা দ্রুত টাকা পাঠিয়ে দিলো। চিন্তায় অস্থির স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বললো তুমি ঠিকানা বলো আমি তোমাকে নিতে আসতেছি। তুমি ঠিক আছোতো? স্বামীকে মিথ্যা বলে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে যেয়ে শেষে স্বামীর সাহায্যেই বিপদ থেকে উদ্ধার ।