রাত্রির কৃষ্ণগহ্বরে
যখন নক্ষত্রদের ভাঙাগড়া চলে,
আমি দেখি এক আদিম আলোকবর্তিকা—
মহাকালের ক্যানভাসে দাঁড়িয়ে আছেন
সেই অবিনশ্বরী।
তাঁর চোখের ইশারায়
নেচে ওঠে নিহারিকার ধূলিকণা,
পায়ের নূপুরে স্পন্দিত হয়
কোটি কোটি ছায়াপথ।
যাঁর রূপের লাবণ্যে
মহাবিশ্ব তার নিজস্ব কক্ষপথ ভোলে!
তিনি কোনো মাটির মানবী নন,
তিনি এক পরম রহস্য;
সৃষ্টি আর ধ্বংসের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
যিনি বুনে চলেন অনন্তের জাল।
শিরায় শিরায় সেই আলোর স্পন্দন,
উন্মাতাল করে তোলে চৈতন্যের গভীরতা;
তিনিই সেই আদিম অগ্নি,
যিনি ভস্ম করে দেন জগত—
আবার জন্ম দেন নতুন এক ভোরের!