শরতের শিশির ভেজা প্রত্যুষে,
অথবা সন্ধ্যার নীহারিকায় মিশে,
অথবা গগণের নীলাবরণ হয়ে,
তব সুকোমল পরশ কে সহযাত্রী করে হাঁটব অনেকটা পথ তোমার সনে।
শোনাবো তোমারে বসন্তের কোকিল হয়ে
গান যে কত সুমধুর স্বরে।
শতরূপে শতবার আসব ভবে,বনানীর যত পুষ্পের মধু নিয়ে তোমারে মধুময় করতে।
তোমার পথের সকল ধুলি উড়িয়ে দেব কালবৈশাখী হয়ে।
তব জীবনের সকল ক্লেষ যাবে মুছে সকল জরা ঘুচবে তবে।
রজনীর বেশে এসে ঘুম পাড়াব তোমারে ঝিঁঝিঁ পোকার গান গেয়ে।
পথ দেখাবো আমাবস্যার নিম রজনীতে
জোঁনাকির আলো হয়ে।
অশান্ত গাত্র তব জুড়াবে বসন্ত পবন অঙ্গে মেখে।
লটকে থাকবো তোমার খোঁপাতে বেলি ফুলের মালা হয়ে।
গলে জড়াবো মতিহার বেশে হাসনাহেনা পুষ্প হয়ে।
রাঙাবো তব ঠোঁট দুটোকে গোলাপের সকল পাপড়ি ভিজিয়ে।
আঁকব কাজল তোমার নেত্রে জগতের সব কালো এনে।
বসিয়ে দেব তোমার ললাটে,চাঁদোয়ার ঐ নীল টিপ এনে।
পুরো বসুন্ধরা আলোকিত হবে তব সেই "আলেয়ার আলোর বিচ্ছুরণে!"