মহেশখালী (কক্সবাজার)
মহেশখালীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন মামলার ১৮ জন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, পূর্বের মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনের অভিযোগে আটক ব্যক্তিরা রয়েছেন। গ্রেফতারদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মহেশখালী থানা পুলিশের দেওয়া ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের গত ২৪ ঘণ্টার গ্রেফতারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন মাদক-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে।পুলিশের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় তিনজনকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে এবং বিভিন্ন আইনি ধারায় আরও নয়জনকে মাদক সেবনকারী হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর বাইরে পূর্বের মামলায় চারজন, ওয়ারেন্টভুক্ত একজন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
একদিনে গ্রেফতারের চিত্র, পুলিশের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়,১৮ জনের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি: ১ জন,পূর্বের মামলায় ‘ডেভিল’ অভিযানে: ৪ জন, নিয়মিত মামলায় মাদক ব্যবসায়ী: ৩ জন
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় মাদক সেবনকারী: ৮ জন,পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় মাদক সেবনকারী: ১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়: ১ জন
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে ১৮ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্ব,গ্রেফতারের পরিসংখ্যানের একটি বড় অংশই মাদক-সংশ্লিষ্ট। পুলিশের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, তিনজনকে মাদক ব্যবসায়ী এবং নয়জনকে মাদক সেবনকারী হিসেবে আটক করা হয়েছে। ফলে গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মাদক নিয়ন্ত্রণকে পুলিশি তৎপরতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে। মহেশখালীর মতো দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মাদকদ্রব্যের বিস্তার ঠেকানো পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
ওয়ারেন্টভুক্ত ও পূর্বের মামলার আসামিরাও নজরদারিতে,পুলিশের অভিযানে একজন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার হওয়ার পাশাপাশি পূর্বের মামলায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলায় পলাতক বা আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়টিও পুলিশের চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উঠে এসেছে।
আদালতে সোপর্দ, গ্রেফতার ১৮ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মহেশখালী থানা পুলিশ।
মহেশখালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।