টেকনাফ, কক্সবাজার
কক্সবাজারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-র পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ৬২ হাজার ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তিনজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মধ্যে ৬০ হাজার পিসের কোনো দাবিদার পাওয়া যায়নি। অপর অভিযানে আটক তিন ব্যক্তির পেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) ও উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের রেজুখাল চেকপোস্টে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে যশোরের শার্শা উপজেলার তিন যাত্রীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের পেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে বহন করা ২ হাজার ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
অপরদিকে, উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী জীম্বংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা একটি পোটলা ফেলে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ওই পোটলা তল্লাশি করে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।