বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড কার্যকরের তারিখ নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ,মন্ত্রণালয়ে আবেদন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • ২০২৬-০২-২৪ ১৩:৩৭:২১

কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণির মর্যাদা প্রাপ্তির তারিখ অনুযায়ী ১০ম গ্রেড ও গেজেটেড মর্যাদা কার্যকর করার দাবিতে আবেদন জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা বৈষম্য নিরসন ফোরাম-এর নেতৃবৃন্দ। তারা সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে জমা দেন।
আবেদনে বলা হয়, ০৯/০৩/২০১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা কার্যকর হওয়ায় একই তারিখ থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন প্রদানের যৌক্তিকতা বহুবার উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কয়েকজন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট দায়ের করলে আদালত রায়ে ০৯/০৩/২০১৪ তারিখ থেকে ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড মর্যাদা প্রদানের নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ ১৩/০৩/২০২৫ তারিখের রায়ে কেবল সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল সুবিধা বাতিল করেন; তবে ১০ম গ্রেড কার্যকরের তারিখে কোনো পরিবর্তন আনেননি।
ফোরামের নেতারা জানান, আইন মন্ত্রণালয় নথি নং-১০.০০.০০০০.০০০.১৩৫.৩৩.০০৫১.২৫, তারিখ ১৫/০৯/২০২৫-এ ০৯/০৩/২০১৪ থেকে ১০ম গ্রেড কার্যকরের পক্ষে আইনগত মতামত দেয়। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রিটকারীদের ক্ষেত্রে ২৫/০২/২০১৯ এবং অবশিষ্ট ৬৫,৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রে ১৫/১২/২০২৫ থেকে ১০ম গ্রেড কার্যকরের প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ফোরামের দাবি, সমপদে ও সমমর্যাদায় শাস্তিমূলক কোনো আদেশ ছাড়া ভিন্ন ভিন্ন তারিখে বেতন নির্ধারণ করা বিধিসম্মত নয় এবং এটি স্পষ্ট বৈষম্য। এতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনের স্মারক নং-৩৮.০০.০০০০.০০৮.০২.০১৩.২১-৪৬২ (০৭/০৯/২০২৫) এবং স্মারক নং-৩৮.০০.০০০০.০০৮.১৫.০০৬.২০২৫-৫৩৪ (১৫/১২/২০২৫) পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন আবেদনকারীরা। তাদের মতে, আদালতের রায় ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।
আবেদন প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মো. সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাসার, সুবল চন্দ্র পাল, মো. সামছুদ্দিন, মো. ফজলুর রহমান (বগুড়া) এবং মো. আজিজুল হক (নাটোর)।

কী-ওয়ার্ড: প্রধান শিক্ষক ১০ম গ্রেড, আদালতের রায়, প্রাথমিক শিক্ষা বৈষম্য


এ জাতীয় আরো খবর