পদ শূন্য থাকায় ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগের বিদ্যমান নিয়ম অনুসরণ করে জরুরি ভিত্তিতে এ নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।
আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে লটারির মাধ্যমে ওসি ও এসপি পদে বদলি বা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। তবে বাস্তবতা বিবেচনা না করে এমন বদলি হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তিনি মন্তব্য করেন, লটারিভিত্তিক প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি স্বচ্ছ বলা যায় না এবং সরকার এ ধরনের বদলিকে যথাযথ পদ্ধতি হিসেবে দেখছে না। এখন থেকে দক্ষতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে বদলি বা পদায়ন করা হবে।
২০০৬ সালে নিয়োগবঞ্চিত পুলিশ উপ-পরিদর্শকদের (এসআই) বিষয়েও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। লাইসেন্সধারীরা আইনগতভাবে যোগ্য ছিলেন কিনা, তা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, পুলিশ আইনবহির্ভূত কোনো প্রটোকল দিতে পারবে না। পাশাপাশি পাসপোর্ট অফিসে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমাতে বেসরকারি সহায়তায় আউটসোর্সিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
কী-ওয়ার্ড: কনস্টেবল নিয়োগ, পুলিশ বদলি নীতি, অস্ত্র লাইসেন্স যাচাই