রবিবার, মে ৩১, ২০২৬

শপথের আগে মন্ত্রীদের আবাসন প্রস্তুতি,সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০২-১৬ ১০:৫২:৫৭
ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দলটির পক্ষ থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী তালিকা চূড়ান্ত করতে আলোচনা চলছে। বিরোধী দলে থাকছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের সংসদ সদস্যরা।
মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সম্ভাব্য মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথের পরপরই নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সরকারি বাসভবন বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সরকারপ্রধান, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর জন্য মোট ৭১টি সরকারি বাংলো ও বাসা রয়েছে। এসব বাসা প্রস্তুতে জোর তৎপরতা চলছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন প্রস্তুতের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হলেও তিনি কোথায় উঠবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সরকারি বাসভবন গণভবন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত হওয়ায় নতুন প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা–তে উঠতে পারেন-এমন আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, নতুন প্রধানমন্ত্রী কোন বাসভবনে উঠবেন সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ৭১টি বাংলোর প্রায় অর্ধেক খালি এবং বসবাসের উপযোগী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরপরই সেগুলোতে ওঠা যাবে। বাকি বাসাগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধিরা রয়েছেন; তারা ছাড়লে নতুনদের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
তিনি আরও জানান, শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা বাসা ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হন। বাসা বুঝিয়ে দিতে বিলম্ব হলে পদ অনুযায়ী সরকারি ভাতা প্রাপ্য হবে। বাসা বরাদ্দে তিনটি কমিটি কাজ করে, যার একটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীপর্যায়ের ব্যক্তিদের জন্য দায়িত্ব পালন করে।
রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, ধানমন্ডি, সংসদ ভবন এলাকা ও গুলশানে এসব সরকারি বাসভবন অবস্থিত। এগুলোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং বরাদ্দ দেয় সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
২৯ মিন্টো রোডের নির্দিষ্ট বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে অতীতে বসবাস করেছেন খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা। এবার সেখানে উঠবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান-এমন তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে সরকারি বাসভবন ছাড়তে শুরু করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরীও সরকারি বাসভবন ছেড়েছেন।

কী-ওয়ার্ডস: মন্ত্রিসভা শপথ, সরকারি বাসভবন, সরকার গঠন


এ জাতীয় আরো খবর